চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চরাঞ্চলে ভোট প্রচারণা ও ভোট গ্রহণ দুটোই চ্যালেঞ্জিং। যোগাযোগ ব্যবস্থার সমস্যাই এর মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নকে চরাঞ্চলের ইউনিয়ন বলা হয়। এসব এলাকায় জেলার প্রায় সাড়ে ১৪ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৩ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে সদরে ৮টি ও শিবগঞ্জে ৫টি ইউনিয়ন রয়েছে। এগুলো হল সদরের নারায়নপুর,সুন্দরপুর,চরবাগডাঙ্গা, শাজজাহানপুর,ইসলামপুর,দেবীনগর,চর আলাতুলী ও চর অনুপনগর। শিবগঞ্জে চরাঞ্চলের ইউনিয়নগুলো হল পাঁকা,ঘোড়াপাখিয়া,দূর্লভপুর,মনাকষা ও উজিরপুর। এই ইউনিয়নগুলো প্রধানত পদ্মা ও মহানন্দা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত।
জেলা নির্বাচন অফিসার আজাদুল হেলাল বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থাই চরে ভোটের প্রধান সমস্যা। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সমস্যা তেমন নেই। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদরে পদ্মার মাঝে ১১টি ও শিবগঞ্জে ৫টি সহ ১৬টি কেন্দ্র রয়েছে যা সম্পূর্ণ নৌ যাতায়াতের উপর নির্ভরশীল। সেজন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে নৌকা। এসব অঞ্চলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও গ্রাম পুলিশ নির্বাচনে সহায়তা করবে। শিবগঞ্জে পদ্মার ওপারে সীমান্তবর্তী ৫টি চর কেন্দ্রে নিরাপত্তার প্রধান দায়িূত্ব পালন করবে বিজিবি। এসব কেন্দ্রে নির্বাচনী সরজ্ঞাম ১১ ফেব্রুয়ারী সবার আগে পাঠানো হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওযাসিম ফিরোজ বলেন,চরের ১৪টি কেন্দ্র ঝূঁকিপূর্ণ। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা আয়োজন রয়েছে। সদরের নারায়নপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাজির হোসেন বলেন,বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীরা ভোট চাইতে এসেছিলেন। তবে বিভিন্ন চরাঞ্চলে ছোট দলের প্রার্থদেরও ভোট চাইতে দেখা গেছে। শিবগঞ্জের পাঁকা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড সদস্য রফিকুল ইসলামও বলেন, বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীরা ভোট চাইতে এসেছিলেন। অনানুষ্ঠানিক প্রচারণা এখনও চলছে। দূর্লভপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম আজম বলেন,প্রার্থী ও তাঁদেও সমর্থকররা ভোট চাইতে চর ঘুরেছেন। প্রচারণা শেষে এখন চলছে প্রার্থীদের শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি।