বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাহানারা আলমের আনা যৌন হয়রানির অভিযোগের তদন্তে এখনো চূড়ান্ত কোনো শক্ত প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গঠিত কমিটি বর্তমানে বিভিন্ন তথ্য ও সাক্ষ্য বিশ্লেষণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাহানারা আলমের দেওয়া ১৩ পৃষ্ঠার লিখিত বিবৃতি পর্যালোচনা করা হলেও সেখানে সরাসরি প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে—এমন উপাদান পাওয়া যায়নি। তবে কমিটি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং লিখিত বক্তব্যের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছে।
তদন্তের অংশ হিসেবে ভিডিও ফুটেজ, মোবাইল ফোনের কল লিস্ট, চ্যাটিং হিস্ট্রি যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক নারী ক্রিকেটারদের সঙ্গেও কথা বলছে কমিটি, যাতে ঘটনার পটভূমি ও সম্ভাব্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করা যায়।
প্রথমে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও পরবর্তীতে তদন্তের পরিধি বাড়াতে আরও দুজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বর্তমানে কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি তারিক উল হাকিম। অন্য সদস্যরা হলেন রুবাবা দৌলা, ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা, বিশিষ্ট আইনজীবী অধ্যাপক ড. নাইমা হক এবং ব্যারিস্টার মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান খান।
তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় রেখে সব দিক বিবেচনায় নিয়েই প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও সময় লাগতে পারে।
কীওয়ার্ডসঃজাহানারা আলম,নারী ক্রিকেট,তদন্ত কমিটি