আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচন কেবল একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়-এটি হবে জনগণের আস্থা, অংশগ্রহণ ও গণতন্ত্রের শক্তিমত্তার প্রতীক। একদিকে সারা বিশ্বের নজর বাংলাদেশে, অন্যদিকে আমাদের জনগণ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য।”
রোববার (৯ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রচারিত ভিডিও বার্তায় সিইসি এ মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, “আমাদের তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ আশা জাগানিয়া। যারা প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাচ্ছেন, তারা গণতন্ত্রের নতুন যাত্রার প্রতিনিধি।”
সিইসি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনার ভোট আপনার শক্তি। নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন এবং অন্যদেরও ভোটে অংশ নিতে উৎসাহিত করুন।”
ভিডিও বার্তায় জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “ভুয়া তথ্য বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা যেন সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট না করে। তথ্য যাচাই করে সত্য খবর গ্রহণের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।”
নির্বাচন কমিশনার বেগম তাহমিদা আহমদ বলেন, “আমাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া হতে হবে সম্পূর্ণ জেন্ডার-বান্ধব। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার ভোটাধিকার নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের প্রধান দায়িত্ব।”
অন্যদিকে কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রার্থী, দল ও নাগরিক-সবাইকে আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।”
প্রবাসী ভোটারদের বিষয়ে কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের ভোটাধিকার বাস্তবায়নে নির্বাচন কমিশন আন্তরিকভাবে কাজ করছে। আমরা বিশ্বাস করি, সবার সহযোগিতায় এই উদ্যোগ সফল হবে।”
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য তারা প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করেছে।
কীওয়ার্ডস:
জাতীয় নির্বাচন, সিইসি, ভোটাধিকার