তুমি যেন কার্তিকের চতুর্দশী চাঁদ, চোখে এঁকে দাও স্বপ্ন।
তোমার খিলখিল হাসি কেবল মোহময় শব্দ নয়
এ হাসি আমার শিরা-উপশিরায় জাগায় শিহরন।
যদি আমার নাম উচ্চারিত হয় অখণ্ড রাত্রির নীরবতায়
তবে আর কিছুই চাই না ভেবে নিও।
মনে হয় তুমি সম্পূর্ণ আমার --
অদৃশ্য থেকেও দৃশ্যমান থাকো ভাবনার অন্তরিক্ষে।
তোমার টোলপড়া গালে যে হাসির অনুরণন
যার ছোঁয়ায় লেখা যায় অবিনাশী যতসব কবিতা।
তোমার দেহবল্লরী কোনো কামনার বস্তু নয়,
সে আমার সুরে সুরে গাওয়া হৃদয়ের নৈবেদ্য
আমার নীরব আর্তনাদের প্রতিধ্বনি,
আলো ও ছায়ার মিশেলে সন্ধি।
আমি জানি, অধিকার শব্দটি নিতান্তই তোমার করায়ত্তে।
তবু আমার দাবি অনেকটাই প্রাসঙ্গিক --
তুমি মুখ ফিরিয়ে নিলেও খুঁজে নেবো সেই গন্তব্য,
যেখানে ভাষা নিঃশেষ সেখানেই আমার দৃষ্টির স্ফূরণ।
যদি বলে দাও, কাছে থাকবে শর্তহীন,
তাহলে আমি হবো তোমার প্রত্যাশার ছায়া,
হবো সাতনরি হার গর্বিত অলংকার
আর আমার অধিষ্ঠান হবে নীরব প্রতিজ্ঞায়,
যেখানে সব রঙ, গন্ধ আর স্পর্শ
আমার অধিকারকে করবে প্রতিষ্ঠিত অনন্ত স্নিগ্ধতায়।