সোমবার, মে ২৫, ২০২৬

হামাসের সাড়াকে ইতিবাচক পদক্ষেপ বলছে পাকিস্তান,তৎক্ষণাৎ যুদ্ধবিরতি,জিম্মি মুক্তি ও ত্রাণপ্রবাহের দাবী

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • ২০২৫-১০-০৪ ১৫:৩৬:৪৮
ছবি: সংগৃহীত।

পাকিস্তান দ্রুত যুদ্ধবিরতি ও মানবিক রেশন পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার প্রতি হামাসের ইতিবাচক সাড়াকে স্বাগত জানিয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন—“এখনই যুদ্ধবিরতি চাই, ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বন্ধ করতে হবে এবং জিম্মিদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে হবে। মানবিক সহায়তায় কোনো বাধা চলবে না। ইসরাইল তার হামলা অবিলম্বে বন্ধ করুক।”
দার আরও বলেছেন, আন্তর্জাতিক সহায়তা দ্রুততর করা এবং গাজার বন্দি ও আহতদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এখনই সবচেয়ে বড় অগ্রাধান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক গতি তৈরি করতে যে যতি নিচ্ছে তা “ইতিবাচক”-তবে তাতেই যুদ্ধে কষ্ট ভোগকারীদের অবিলম্বে শিথিলতা না এলে তা অপ্রতুল।
মার্কিন ২০ দফার শান্তি প্রস্তাবকে (ট্রাম্পের পরিকল্পনা) গত ইউএন সাধারণ অধিবেশন ও আরব-মুসলিম নেতাদের খসড়ার সঙ্গে একই সারিতে দেখা যায়নি-ইসহাক দার উল্লেখ করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাত দিয়ে নোট করা হয়েছে, সংশোধিত ট্রাম্প প্রস্তাবে ইসরাইলের প্রত্যাহারকে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ'র সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে, এবং ইসরাইলকে একটি বাফার/সুরক্ষা জোন রেখে ধাপে ধাপে সরে আসার সুযোগ রেখে দেয়া হয়েছে-যতক্ষণ না ‘সন্ত্রাসী হুমকি’ পুরোপুরি নির্মূল হবে বলে দাবি করা হয়। উৎস: আল জাজিরা ও আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রতিবেদন।
পাকিস্তানের ইঙ্গিত নেই-এটি কেবল কূটনৈতিক সমর্থন নয়, বরং একটি বাস্তবপ্রয়োগযোগ্য ধাপের অনুরোধও। যুদ্ধবিরতি দ্রুত কার্যকর না হলে মানবিক দুরবস্থা আরও তীব্র হবে-পাকিস্তান এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তৎপরতা বাড়ানোর পক্ষে। তবে ট্রাম্প প্যাকেজে নিরাপত্তা ও প্রত্যাহারের শর্ত যুক্ত থাকায় তা বাস্তবে তাড়াতাড়ি কার্যকর করা জটিল থাকতে পারে; স্যাটেজ-শর্ত (staged withdrawal) ও নিরস্ত্রীকরণ একই সময়ে বাস্তবায়ন কিভাবে হবে- সেটাই চাবি।

কীওয়ার্ডসঃ
ফিলিস্তিন যুদ্ধবিরতি, ট্রাম্প শান্তি পরিকল্পনা, পাকিস্তান প্রতিক্রিয়া, হামাস জবাব, মানবিক সহায়তা


এ জাতীয় আরো খবর