ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে আলোচনা করতে সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে বসছেন বিশ্বনেতারা। সৌদি আরব ও ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই বৈঠকে দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা চলছে। তবে বৈঠক শুরুর আগেই এর বিরোধিতা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
ইসরায়েলের জাতিসংঘ প্রতিনিধি ড্যানি ড্যানন এই সম্মেলনকে “একটি সার্কাস” আখ্যা দিয়ে দাবি করেছেন, এতে কোনো সমাধান আসবে না, বরং সন্ত্রাসবাদকে উসকে দেবে। তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বৈঠকটি বয়কট করছে।
প্রতিবাদ হিসেবে অধিকৃত পশ্চিম তীরের কিছু অংশ নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। পাশাপাশি ফ্রান্সের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেয়ার কথাও বিবেচনা করছে দেশটি।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে সতর্ক করে বলেছে— ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কেবল আলোচনার মাধ্যমে আসা উচিত, একতরফা ঘোষণায় নয়।
এদিকে, ভিসা না পাওয়ায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস সরাসরি অংশ নিতে পারছেন না। তিনি ভিডিওবার্তার মাধ্যমে বক্তব্য দেবেন। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও ভার্চুয়ালি যোগ দিতে পারেন।
সম্মেলনের আগে যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও পর্তুগাল ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ফ্রান্সসহ আরও কয়েকটি দেশ শিগগিরই এই স্বীকৃতি ঘোষণা করবে। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এসব পদক্ষেপকে ‘সন্ত্রাসবাদের পুরস্কার’ বলে আখ্যা দিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কখনো গঠিত হবে না।”
কীওয়ার্ডস: ফিলিস্তিন, ইসরায়েল, নিউইয়র্ক সম্মেলন, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান, আন্তর্জাতিক সমর্থন