এই দেখো ! তোমায় নিয়ে দিন-রাত
কত কিছু শুধু ভেবেই মরি,
করা আর হয়ে উঠেনা।
ভাবতে ভাবতে তোমার হাত ধরে পথ চলি,
সোজা পথ কত বাধা !
তাই জনমানবহীন
উচু নিচু খোয়া বিছানো পথে হাঁটি।
হাটার অভ্যাস নেই বলে জাপটে ধরে আছো
আমার কোমর। আমরা হা..ট..ছি
তবুও হোঁটচ খেয়ে পড়ে যাই,
উদভ্রান্ত হয়ে রক্তাক্ত পা ধরে তুমি বকছো।
আর আমি মজা পাচ্ছি, তোমার ব্যাকুলতায়।
এ পথে আর আসবে না!
মৃদু ভর্ৎসনা শুনে, চোখে জল চলে আসলো।
আসবো আসবো, বারবার আসবো
তোমায় সাথে নিয়ে আসবো।
শুধু এ পথে নয়
তোমার জন্য নরকের দুয়ার পর্যন্ত যাবো আমি।
হাত ধরে রেষ্টুরেন্টে পৌঁছে যাই।
কি খাবে জানতে চাইলে.... তুমি যা খাবে তাই খাবো। আমার সব কিছু যে তোমার সাথে,
মিলেমিশে একাকার করেছি।
বুঝতে পারবে কবে?
খেতে পারছি না ঠিক মতো,
পড়ে যাচ্ছে প্লেট থেকে,... বকা দিলে !
বুড়ি হয়ে গেছো, এখনও কি পাগলামি করছো?
নাহ্ ! পারছিনা- পারছিনা খেতে- পারছিনা।
তুমি খাইয়ে না দিলে আমি খেতে পারিনা।
আহ্লাদে গদগদে বললাম।
মুছিয়ে দাও টিস্যু দিয়ে আমার মুখ,
ভরিয়ে দাও ভালোবাসা দিয়ে
আমার না পাওয়া বহুদিনের সুখ।
দেখছো না, বেড়ে গেছে সব পাগলামি !
বেড়েছে সব সুখের অসুখ।
কত অপেক্ষা এই সুখের জন্য, জানো কি?
ভরিয়ে দাও আমার শুকনো ঠোঁটে
তোমার অমৃতের সুধা।
কতদিন চুমো খাওনি বলো আদর করে।
যদি খেতে, তাহলে এভাবে চৌত্রের খড়ার মতো
ফেটে যেতোনা আমার অধর।
আমার সব শুন্যতা জ্বলে অহরহ,
শ্রাবনের অঝোর ধারা এখানে অর্থবহ।
শ্রাবন শুধূ বাহির পানে ,
ভিতরে যে তুমি হীন ভীষণ সব ব্যর্থ।