গুম প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে **‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫’** এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এসব ট্রাইব্যুনালে **সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করার নিয়ম** অন্তর্ভুক্ত থাকবে। গুমের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।
একই বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন **চিলাহাটি, দৌলতগঞ্জ ও তেগামুখ স্থলবন্দর বন্ধ ঘোষণা** করা হয়েছে। এছাড়া বাল্লা স্থলবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আরও চারটি স্থলবন্দর নিয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত হবে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিবছর **১৭ অক্টোবর লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস** হিসেবে পালনের অনুমোদন দিয়েছে পরিষদ। এ তালিকায় এর আগে শুধু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
কীওয়ার্ডসঃগুম প্রতিরোধ আইন ২০২৫,গুম প্রতিকার অধ্যাদেশ,বাংলাদেশ স্থলবন্দর বন্ধ,লালন সাঁই তিরোধান দিবস,উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন