স্পেনের ঐতিহাসিক কর্ডোভা মসজিদ-ক্যাথেড্রাল অগ্নিকাণ্ডের একদিন পর শনিবার (৯ আগস্ট) পুনরায় সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার রাতে লাগা আগুনে ঐতিহ্যবাহী এই স্থাপনার সীমিত ক্ষয়ক্ষতি হলেও পুরো ধ্বংস থেকে রক্ষা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্ডোভার মেয়র হোসে মারিয়া বেলিদো।
স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ভিডিও ফুটেজে মসজিদ-ক্যাথেড্রাল থেকে ধোঁয়া ও শিখা নির্গত হতে দেখা যায়। প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ দর্শনার্থী এই ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানটি পরিদর্শন করে থাকেন।
মেয়র জানান, ক্ষয়ক্ষতি মূলত একটি চ্যাপেলে সীমাবদ্ধ ছিল, যেখানে আগুন ও পানি ঢালার কারণে ছাদ ধসে পড়ে। ধোঁয়ার কারণে পাশের দুটি চ্যাপেলের বেদি ও শিল্পকর্মে আংশিক ক্ষতি হয়েছে। মোট প্রায় ৫০-৬০ বর্গমিটার এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দমকল বিভাগের প্রধান ড্যানিয়েল মুনিওজ বলেন, দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ৩৫ জন দমকলকর্মী রাতভর আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। ২০০১ সালের অগ্নিকাণ্ডের পর প্রতিবছর যে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়, তা এবারও দ্রুত আগুন নেভাতে সহায়তা করেছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, একটি যান্ত্রিক ঝাড়ু মেশিন থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।
৮ম থেকে ১০ম শতাব্দীতে মুসলিম শাসক আবদ আর-রহমান এই মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৩শ শতাব্দীতে খ্রিস্টান শাসনের অধীনে এটি ক্যাথেড্রালে রূপান্তরিত হয় এবং পরবর্তীতে বেশ কিছু স্থাপত্য পরিবর্তন আনা হয়। ১৯৮৪ সালে ইউনেস্কো এটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করে।
কীওয়ার্ডস: কর্ডোভা মসজিদ ক্যাথেড্রাল, স্পেনের ঐতিহাসিক স্থাপনা, কর্ডোভা অগ্নিকাণ্ড, ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য, কর্ডোভা পর্যটন,