যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হোয়াইট হাউসে এক নৈশভোজ বৈঠকে আলোচনায় এনেছেন গাজার ফিলিস্তিনিদের “ঐচ্ছিক” স্থানান্তর। তবে এই প্রস্তাবকে কিছু বিশ্লেষক জাতিগত নির্মূলের প্রথম খসড়া হিসেবে বিবেচনা করেছেন।
নেতানিয়াহু বলেন, গাজার বাসিন্দারা চাইলে আত্মসচ্ছন্দে অন্যত্র যাবেন, চাইলে সেখানে থেকেই থাকবে। বললেন, “গাজাকে যেন একটা কারাগার না, বরং মুক্ত এলাকা” তৈরি করা যায়।
ট্রাম্প মন্তব্য করেন, “চারপাশের দেশগুলো দারুণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে” এবং আশার কথা উল্লেখ করেন।
আল-জাজিরার হামদা সালহুত বলেছেন, এই প্রস্তাব ‘চরম বিপর্যয়ের সংকেত’, এবং এটি “শুধু উদ্বেগ, না জাতিগত নির্মূল”ও বলা যায় ।
সাবেক ইসরায়েলি কূটনীতিক অ্যালোন পিনকাস বলেন, যদিও এই প্রস্তাব উচ্চ পর্যায়ে হয়েছে, তবে এর বাস্তবায়নযোগ্যতা প্রায় নেই ।
ওয়াশিংটনে একই সময়ে কাতারে ইসরায়েল-হামাস মধ্যে পরোক্ষ ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির আলোচনার সেশন চলছে ।
নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে নোবেল শান্তিপূর্ণ পুরস্কারের প্রস্তাব পাঠিয়েছেন ।
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর এই ধারণা ফেব্রুয়ারি’তে প্রথম উঠে এসেছিল, যেখানে গাজাকে “মধ্যপ্রাচ্যের রিভিয়েরা” করে তোলা প্রস্তাব ছিল । আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র বিশ্লেষকদের মতে, ঐচ্ছিক বলে প্রস্তাব চালানোই জাতিগত নির্মূলের প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে ।
ট্রাম্প–নেতানিয়াহুর বৈঠকে গাজার স্থানান্তরের প্রস্তাব তাত্ক্ষণিকভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে এর রাজনৈতিক ও মানবিক মাত্রা নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সর্তকতা বেড়ে গেছে। এর মধ্যেই চলছে যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়া ও নোবেল পুরস্কার মনোনয়ন-এগুলো এই বৈঠকের বহুমাত্রিক দিক।
কীওয়ার্ডস:
ট্রাম্প নেতানিয়াহু বৈঠক, গাজা স্থানান্তর প্রস্তাব, জাতিগত নির্মূল গুজব, হোয়াইট হাউস গাজা আলোচনা, নোবেল শান্তি পুরস্কার ট্রাম্প