শনিবার (৫ জুলাই) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, “সামাজিক মাধ্যমে কিছু পেইজ ও অ্যাকাউন্টে এমন একটি গ্রাফিক ফটোকার্ড ছড়ানো হচ্ছে যাতে বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন বাংলাদেশে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন পিআর পদ্ধতিতে হবে। এটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।”
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, “প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস এমন কোনো বক্তব্য দেননি। বরং তার নাম ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।”
তবে ঐকমত্য ভিত্তিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে গঠিত সংলাপভিত্তিক ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে’ পিআর ব্যবস্থা একটি আলোচ্য বিষয় হিসেবে উপস্থিত রয়েছে বলে প্রেস উইং স্বীকার করেছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
প্রেস উইং জানায়, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা চলমান রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বর্তমান নির্বাচনব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে মত দিচ্ছেন। পিআর পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হলেও এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো চূড়ান্ত অবস্থানে পৌঁছানো হয়নি।”
প্রেস উইং ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রগুলো এমন ভুয়া প্রচারণার বিরুদ্ধে সাধারণ নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস, পিআর পদ্ধতি, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচন, ভুয়া ফটোকার্ড, জাতীয় নির্বাচন ২০২৫, ঐকমত্য কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা পরিবর্তন, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন, বাংলাদেশ নির্বাচন গুজব, CEC এএমএম নাসির, জাতীয় ঐকমত্য, ইলেকশন রিফর্ম বাংলাদেশ