যে-ভূত নিজে গাপুস-গুপুস
সর্ষে-বাটা কাসন খায়
সে-ভূত কি আর যায় তাড়ানো!
সবাই মরে আশঙ্কায়।
যে-ভূত থাকে সর্ষে গাছে,
এমনকি তার শিকড়ে,
সে-ভূত তবে কখন কবে
কে তাড়াবে কী ক’রে?
হাজার ওঝা নাচার হলো
যেমন-তেমন ভূত তো নয়―
লম্বুভূতের নাতি-পুতি,
অলুম্ভূতের খোদ তনয়!
যারাই চেনে তারাই জানে
ভূতগুলো খুব শিক্ষিত,
ভেলকিবাজির নানান রকম
মন্ত্রে তারা দীক্ষিত।
কেউবা করে ব্যবসাপাতি,
কেউবা করে চাকুরি,
পদ্য লিখে কেউ হতে চায়
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-ই।
আজব রকম ফন্দি-ফিকির,
যাও না তাদের দপ্তরে,
সুযোগ পেলেই ধরবে তোমার
ঘাড়টি চেপে খপ-ক’রে।
সরিষাপুর ইস্কুলে যায়
ভূতের শত পুত্রবর―
পেত্নী বলে: সবার আগে
সর্ষে-ঝাড়াই সূত্র পড়্!
বিদেশ যাবি ভয় দেখাবার
ডিগ্রি নিতে উচ্চতর,
মহাকাশে ঘুরতে হলে
ধূমকেতুদের পুচ্ছ ধর!
শুনলে তুমি অবাক হবে
তবুও বলা দরকারি:
এই ভূতেদের ডরায় স্বয়ং
বাংলাদেশের সরকার-ই।