তোমার সোনার তরী বয়ে চলেছে আজও জীবনের প্রবাহেতে,
তোমার সুরের তরী বাজে মানব হৃদয়ের তানপুরাতে,
সৃষ্টি তোমার অন্তত ধারার ছড়িয়েছে ভুবন জুড়ে
বিশ্বসাহিত্যের আঙিনায় তুমি ভরেছো সৃষ্টির সম্ভারে।
মিলন ক্ষেত্রর অপূর্ব ধারা বিশ্বভারতীর অঙ্গনে
প্রাচ্য পাশ্চাত্যের সৃষ্টির রসে সিক্ত মেলবন্ধনে।
তুমি আছো হিয়ার মাঝে, প্রতিদিনের জীবন পথে,
কখন কোথায় তোমার পরশ আসে পথে চলে যেতে যেতে।
নিত্য নতুন চিন্তাধারা কোথায় যেনো পথ খুঁজে পায়,
বইছে তোমার গানের কথা তোমার সৃষ্টি সুরের ধারায়।
নতুন করে পাই তোমাকে, ক্ষণেক্ষণে হারিয়ে ফেলি
অন্ধকারে পথ হারিয়ে অভয় মনে একলা চলি।
যেতে যেতে একলা পথে নেভে যদি পথের আলো,
আগুন জ্বালিয়ে পথ চিনবো দেখবো শুধু তোমার আলো।
যুগ যুগ ধরে তুমি রয়ে গেছ হৃদয়ে মাঝারে,
এক আলোকবর্ষ থেকে আর এক বর্ষে তুমি কবি পথ দেখাও পথের সৃষ্টি করে।
মানবতার প্রতীক তুমি কবি রবীন্দ্রনাথ
বিশ্বজুড়ে তোমার কাছে মানুষ শুধু সবাই সমান,
ধূপ দীপ আর মালার আড়ালে ঢাকা পরে যায় তোমার জীবনবোধের কথা,
তোমার পূজার ছলে আমরা হারাই তোমার বার্তা
আজও যখন বৈশাখের শেষের লগনে,
রবির প্রথম আলোর রেখা দেখা দেয় পূব গগনে,
আকাশ কাঁপিয়ে বাতাস দুলিয়ে বাজে অনন্ত সংগীত ধারা,
পঁচিশে বৈশাখ চির নূতন রূপে মানব চিত্তে দিল ধরা।