সেদিন দেখলেও বুঝতে পারিনি তোমার চোখের ভাষা,
পড়তে পারিনি বিষণ্ণ মনের কথাগুলো।
শুধু কষ্টগুলো ভাসছিল নোনা জলের ধারায়,
তোমার বিনিদ্র রজনী স্মৃতির পাথারে সাঁতরে বেড়াতো
দেখার চেষ্টা করিনি বসন্ত উৎসবের উচ্ছ্বাসে।
মধু আহরণে প্রমত্ত ছিলাম কুসুমকুঞ্জে,
গ্রীষ্মের তাপদাহের পরশ পেতে না পেতেই ছেড়েছি ফুলবন।
কখনো খোঁজ রাখিনি তোমার চাওয়া পাওয়ার দিকে,
চেষ্টাও করিনি কষ্টগুলো ভুলিয়ে দেওয়ার।
খোলা জানালায় দাঁড়িয়ে তুমি আকাশ দেখতে,
সারা শরীরে জোছনা মেখে ভোরের আলো ডেকে আনতে কেন
কখনো জানতে চাইনি জানার চেষ্টাও করিনি।
আজ যখন দূরে বহুদূরে স্মৃতিগুলো বিমূর্ত হয়ে ওঠে
তখন নিজেকে কেমন যেন অসহায় মনে হয়,
অনুভবের সিঁড়িতে কষ্টের পদাঘাত লাগে।
মনের অজান্তে প্রশ্ন আসে এ কী স্বপ্ন ভাঙার বেদনা ?
কারণে অকারণে শিশুর মতো কাঁদতে ইচ্ছে করে,
পারি না লোকনিন্দার ভয়ে,
হারিয়ে গেছে মুখের ভাষা
ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে থাকি সমুদ্রের দিকে।
মনে মনে বলি এসো না আজ দুজনে
কষ্টগুলো ভাসিয়ে দেয় অতল জলরাশিতে,
ফিরিয়ে দিই তোমার হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো।
তুমি আবার স্বপ্ন বিভোর হবে অতীত নিয়ে
শুধু আমাকে একটু পাশে রেখো।