যেদিন প্রথম ভ্রুনের জন্ম হোল
সেদিনের আকাশে কতগুলো তারা ছিল
কি বার কোন দিন কোন সে মধুরিমা
চাঁদ কি বেঁধেছিল তারার খোপা
বাতাসের এলোমেলো চুলে
ছিল কি বকুলের মালা।
কপোত কপোতী কি জানে
কোন সে বীজ বপন করা হয়েছে আজ।
যেদিন ভুমিষ্ঠ হলো প্রাণের হৃদয় থেকে
অন্য এক নতুন প্রাণ।
চিৎকার করে জানান দিলো
বীজের গহীন থেকে অঙ্কুরিত হলো
বর্ষার রিমঝিম সুরে
এক কান্নার গান।
সেও একদিন ঐ কান্নায় লহরী তুলে
জীবনের প্রলয়ে ভেসে
পৌঁছে যাবে যৌবনের দ্বারে।
আবার রচিত হবে
আবার বপন হবে নতুনের বীজ।
আবার অঙ্কুরিত হবে
একটি কুঁড়ি ছোট্ট দুটি পাতা
আবার রচিত হবে মহাকাব্য গাঁথা ।
তবুও জানা হবেনা
কোন সে মহেন্দ্র ক্ষণে
পৃথিবীর কোন এক কোনে
বাতাসের প্রলাপে রাবীন্দ্রিক ঢেউ তুলে
কোন সে ভ্রুন উঠেছিল জেগে
কোনো এক কপোতীর জঠর জুড়ে ।