তিতাস গ্যাসের মেঢারাবি-৫ধানমন্ডি অফিসের উপ-মহাব্যাবস্থাপক এমদাদুল হক যোগদানের পর থেকে পাল্টে যাচ্ছে অনেক দৃশ্যপট। তিতাস গ্যাসের এমডির নির্দেশনাগুলোকে আমলে নিয়ে রাজস্ব আদায়,বকেয়া আদায় এবং অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে প্রশংসাও পেয়েছেন এই কর্মকর্তা।কোম্পানীকে লোকসানমুক্ত করার আহবানে সাড়া দিয়ে যে কতজন কর্মকর্তা নিবেদিত প্রান হিসেবে কাজ করছেন তার মধ্যে অন্যতম মেঢারাবি-৫ধানমন্ডি অফিসের উপ-মহাব্যাবস্থাপক এমদাদুল হক।তিতাসের ১৮ টি জোন/আরএসও অফিসের মধ্যে মেঢারাবি-৫ধানমন্ডি অন্যতম।বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে নিরলসভাবে নিয়োজিত আছেন তিনি। যোগদানের পর থেকে বকেয়া আদায়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বকেয়া আদায় করে প্রশংসায় ভাসছেন এমদাদুল হক।মেঢারাবি৫-ধানমন্ডি অফিসে যোগদানের আগে তিতাস গ্যাসের প্রধান কার্যালয়,ময়মনসিংহ, গাজীপুরে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এই কর্মকর্তা।তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি'র মেট্রো ঢাকা রাজস্ব বিভাগের (জোন-১০,১১) উপমহাব্যবস্থাপক মোঃ এমদাদুল হক সার্বক্ষণিক সেবামূলক কাজ করে মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে সকলের নিকট পরিচিতি লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন। তার কার্যালয়ে প্রবেশ করতে লাগে না কোন অনুমতি। ইচ্ছা করলে যে কেউ তার অফিসে বিনা-অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারেন।তিনি অত্যন্ত সততা, নিয়মানুবর্তিতা ও আন্তরিকতার সাথে এই অফিসে সেবা চালু করায় মেঢারাবি-ধানমন্ডিতে তিতাস গ্যাসের গ্রাহকদের ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হয়েছে।তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হারুনুর রশিদ মোল্লাহ মেঢাবিবি-৫ ধানমন্ডি অফিসে আচমকা ঝটিকা সফর এসে বকেয়া আদায়, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, গ্রাহক সেবার মান, এবং জোনাল অফিসের কাজকর্ম তদারকি করে সন্তোষ প্রকাশ করেন। দপ্তরের প্রতিটি টেবিল তিনি ঘুরে ঘুরে দেখেন। কর্মকর্তা, কর্মচারী, ঠিকাদার এবং সেবা গ্রহণের জন্য আসা উপস্থিত গ্রাহকের সাথে তিনি কথা বলেন। কর্মকর্তা, কর্মচারীদের গ্রাহকের সাথে ভাল আচরণ করার পরামর্শ দেন। এমন ঝটিকা সফরে গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।
মেঢারাবি-৫ ধানমন্ডি অফিসের উপ-মহাব্যাবস্থাপক এমদাদুল হক বলেন,"তিতাস গ্যাস ট্রন্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এর মেট্রো ঢাকা রাজস্ব বিভাগ-৫, ধানমন্ডি অফিসের উপমহাব্যাবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনটি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। তা হলো-১) দ্রুত সেবা প্রদানসহ গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি;২) বকেয়া রাজস্ব আদায়;৩) গ্রাহকের সাথে মানবিক ব্যবহার।"
তিনি আরো জানান,"ধানমন্ডি অফিসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারী বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করে নানা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। যারা পরিস্থিতির উন্নয়নে বিরামহীনভাবে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে সেই সকল দক্ষ এবং নিবেদিত প্রাণ কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আর যারা পরিস্থিতির উন্নয়নে এখনও যোগ না দিয়ে উল্টো পথে নিয়োজিত আছে তাদেরকে সতর্ক হওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি। মনে রাখবেন তিতাস গ্যাসের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ তাদেরকে খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার জন্য সকল প্রকার শক্তি নিয়োগ করেছে।"
মেঢারাবি-৫ ধানমন্ডি অফিসে সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে অফিসে গিয়ে দেখা গেছে আগত গ্রাহকরা সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট হয়ে অফিস ত্যাগ করছে। এই অফিসে বেশ কিছু বৃক্ষ রোপন করেছেন এমদাদুল হক। তাছাড়া ও কর্মসূত্রে তিনি যেখানেই গিয়েছেন গিয়েছেন সেখানেই লাগিয়েছেন গাছ। ময়মনসিংহ তিতাস গ্যাস অফিসে এবং গাজীপুরেও শত শত বৃক্ষরোপণ করেছেন এই বৃক্ষপ্রেমী। তার বর্তমান কর্মস্থলেও অফিসের ভেতরে বাহিরে লাগিয়েছেন অসংখ্য গাছ।
মেঢারাবি-৫ ধানমন্ডি ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাসিক গড় বিক্রয় ২৫ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা এবং এই সময়ে মাসিক গড় আদায়ের পরিমাণ ২৪ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা।গত ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই জোনাল অফিসের অধীনে বকেয়ার জন্য ৭৯৮ টি গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এছাড়াও অভিযান পরিচালনা করে ১০৮ টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে মেঢারাবি-৫ ধানমন্ডি অফিস।এ সময় বৈধ সংযোগ নিয়ে অবৈধ চুলা ব্যাবহার করায় ৩৮ টি গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ফলে গত দুই বছরে কোম্পানিটির সিস্টেম লস নিম্নমুখী সূচকে অবস্থান করছে।এই ধরনের কর্মকাণ্ড ধারাবাহিক ভাবে চলবে বলেও জানিয়েছেন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি'র মেট্রো ঢাকা রাজস্ব বিভাগের উপ মহাব্যবস্থাপক এমদাদুল হক।