বোধহয় বাচ্চাই ছিলাম !
না হলে
ভীমরতিতে পায় কি করে কচি বয়সে ?
সে তো বুড়ো বয়সে পায় গো !
ভালোবাসার প্রকৃত স্বাদ কি
বুজার আগেই তো ফুলে ফলে দেহনামের গাছটি
ভারে নুয়ে পড়েছিলো হাটু অবধি
পল্লি বধুর মতো।
সুরের মতো নর্তকি, কবিতার মতো পদ্য
হতে পারলুম না কেনো ?
ভালো প্রেমিকা হতেও পারিনি কখনও
পারিনি বিছানায় পরিপক্ক ঢংঙ্গি বেশ্যা হতে।
শুধু নাসিকায়
আরও একটা নতুন করে ছিদ্র করে নিয়েছি,
কচি বয়সে।
উঁহু... আস্তে হাঁটো দৌড় দিওনা !
দৌড়ে ছুঁতে গেছি আকাশ, থেমে পড়ছি ঝটিকায়।
হ্যা হ্যা তাই তো !
আমায় হাঁটতে হবে, দৌড় দিয়ে নয়।
পোষাকি সাইনবোর্ডে অভিষিক্ত হয়ে
ডুকড়ে ডুকরে উঠেছিলো বোধহয় দীর্ঘশ্বাসে
পায়ের নিচের মাটি।
মনে পড়ে ধমবর্তার ? দেহ ঘড়ির প্রভু !
প্রতিটি মিলনে ছিলো না কি ধর্ষণ ?
হয়তো ছিলো রঙিন ক্ষুধার উদ্গম।
আমি শুধু ভেন্টিলেটরে উড়ে আসা শাদা এক
নরম পাখির পালক।
ডুকড়ে ডুকড়ে উঠতো আমার কোমল কাতর
বিষণ্ণ স্বপ্নগুলো , মনে পড়ে ?
হে ভালোবাসা,
তুমি তো পদ্মপাতায় টলোমলো করুন কম্প।
চোখের নিচে কালি, লেজ ফিতার প্যান্টি
ভান ধরার হাসি ,
আর ছেরা ব্রার হুক।
তবুও ফুরায় না প্রেম,
আবার ও ভালোবাসি !
আমার মতো করে, কই চোখের দিকে চাও !
ঠোঁটের -কানের পানে চাও, দেখো
কেমোন রক্তাভ ধারণ করেছে।
আজ পূর্ন আমার বাগান কানায় কানায়,
ভালোবাসতে শিখেছি অভিনব দ্রোহে।
আমি একা শূন্য প্রাপ্তির বৃক্ষের মুখোমুখি,
দেখো প্রেম খুঁজে পাও কি!
চোখের তারায়।
জানি! এক পলকেই পেয়ে যাবে ।
এখানে এখনও শ্লোগানমূখর প্রেমেরা
চকচক করে ওঠে।
যে আমার চেতনায় বিশ্বাসী
যে আমার রাতজাগার নিশিপ্রহরী
তাকে ধারন করেছি আমার সর্বাঙ্গের অবগুঠণে
খুঁজো... খুঁজো।
যে আমার
মসৃন বিহ্বল চুলে চোখ রেখে বলে
আহ্ প্রফুল্ল !
ঐ সজীবতার ঘ্রাণ নিতে চাই।
নাও ! নাও!
আজ স্বহস্তে দিবো তোমায় অজস্র প্রেমের স্ফুরণ
লোমশ হস্তে তুলে নাও।
হ্যা ভালোবাসি।
ব্যার্থতায় স্পর্শহীন অস্হি থেকে সূর্যাস্তের মতো
সমস্ত শরীরের যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হোয়াইটবোর্ডে
ছিঁড়েফেঁড়ে ভেসে ওঠে
আজ স্বপ্নের আন্ডারওয়্যার,
তাকে এখনও ভয়ংকর ভাবে ভালোবাসি,
নতুন করে চাই,
প্রেম আজ সত্যি পরিপক্ব।
দিনরাত কামনা তাকে করি
সহবাস করবো বলে।