তারেক রহমান বলেছেন, জনগণকে নিজেদের পক্ষে আস্থাশীল করে তোলাই তাদের প্রকৃত ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’। এই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তারা সফল হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি চেয়ারম্যান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে জনগণকে আমাদের পক্ষে নিয়ে আসা-সেটাতে আমরা আলহামদুলিল্লাহ সফল হয়েছি।
দেশ পরিচালনার কঠিন বাস্তবতার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর চেয়ারম্যান বলেন, এমন এক সময়ে তারা দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন যখন ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করতে হচ্ছে। তবে জনগণের শক্তি সঙ্গে থাকলে কোনো বাধাই তাদের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ বিএনপিকে বিজয়ী করেছে এবং এ বিজয় কোনো একক দলের নয়; এটি সাধারণ জনগণের বিজয়। তিনি দাবি করেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি জবাবদিহিমূলক সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
রাষ্ট্র সংস্কার ও দায়বদ্ধতার প্রশ্নে তিনি বলেন, নতুন সরকার হবে জনগণের কাছে সম্পূর্ণ জবাবদিহিমূলক। ফ্যাসিবাদের হাতে ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় সচল করাই হবে তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য।
বিজয়-পরবর্তী এ আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৫১টি রাজনৈতিক দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বিশেষভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং গণঅধিকার পরিষদ-এর প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
কী-ওয়ার্ডস: তারেক রহমান বক্তব্য, জবাবদিহিমূলক সরকার, রাষ্ট্র সংস্কার