বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

শুভ জন্মদিন সংবাদ পাঠিকা লেখিকা মধুবন চক্রবর্তী

  • মেসবা খান
  • ২০২৫-০৫-০৪ ১৪:৩৪:৪৫

মধুবন চক্রবর্তী একাধারে ওপার বাংলার একজন স্বনামধন্য কবি, লেখক, কন্ঠশিল্পী এবং অণুগল্পকার। লেখালেখি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। 
এছাড়াও তিনি কলকাতা দূরদর্শন কেন্দ্রে সঞ্চালিকা এবং নিউজ খাস খবরের প্রেজেন্টার হিসেবে কাজ করছেন। 
জন্ম ৪ মে ১৯৭৬ সালে কলকাতায় বেহালার এক সুসমৃদ্ধ ও সুশিক্ষিত ব্রাহ্মণ পরিবারে। পিতা পিনাকী রঞ্জন চক্রবর্তী ও মা সর্বানী চক্রবর্তী। পিতা সরকারি কর্মকর্তা হলেও মনে প্রানে ছিলেন সংস্কৃতিমনা ও সঙ্গীতপ্রেমী একজন মানুষ। 
পড়াশোনা করেছেন সারদা আশ্রম বালিকা বিদ্যালয়ে। পরে সল্টলেকের ই সি গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন প্রথম বিভাগে। সবশেষে তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সঙ্গীতে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। 
বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর লেখা প্রকাশিত হচ্ছে নিয়মিত। কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় তাঁর ৫৬টি কবিতা নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে 'অগোছালো কিছু লজ্জা' শিরোনামে প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এছাড়াও বাংলাদেশে চলতি ২০২৪ এর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ। মধুবন আমন্ত্রিত ছিলেন ঢাকার বইমেলায়। 
প্রতিভা থাকলে তার বিকাশ ঘটবেই। সাহিত্য সাধনা আর কলকাতা দূরদর্শনের পাশাপাশি মধু সম্পৃক্ত আছেন কলকাতা টিভি, ডিডি নিউজ বাংলা, আকাশ-৮ ও তারা টিভিসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে।  
'মধুবন' যদি ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের মথুরার অন্তর্গত বৃন্দাবনের একটি বিখ্যাত প্রমোদ কানন বলে সত্যি হয়ে থাকে 'চক্রবর্তী' তবে তার চেয়েও সত্যি রাজ্যাধিপতি বা রাজার রাজা হিসেবে প্রসিদ্ধ। 
সে যাই হোক! তবে তিনি যে তাঁর নিরস জীবনে শিল্প, সাহিত্য এবং সংস্কৃতির রাজ্যে বৃন্দাবনের প্রমোদ কাননের রাজাধিরাজ হয়ে বিচক্ষণতার সাথে সদর্পে সাবলীল বিচরণ করছেন তা আশ্চর্যই বটে!
তাঁর সামনের অমসৃণ ও পিচ্ছিল পথ হোক আরও সুন্দর আরও মসৃণ। 
আজকের এই বিশেষ দিনটিতে কাঁটাতারের এপার থেকে এই ব্রাহ্মণকন্যার জন্য রইল শুভ কামনা। 
 

 


এ জাতীয় আরো খবর