তারপর চলতে চলতে পেয়ে গেলো
এক বোনো ঘাসের অপূর্ব জঙ্গল।
রূপসী ঢেউলাগা বাতাসের গা বেয়ে
ওদের শরীরে লেগে আছে জল-দুব্বোর চলমান ছবি।
লম্বা জিরাফের গলা বেয়ে উঠে যাওয়ার সময়
আকাশের সুগন্ধি ঠোঁট ছুঁয়েছিল তারা।
যে কোনো দৃশ্যসুখের একটা নিজস্ব নিয়ম আছে
সে নিজের জন্যে বাঁচে।
বেশ লাগছিলো দেখতে।
ক্রমে এলো কাল কেউটের ছেড়ে যাওয়া খোলস
না বুঝে গলায় জড়িয়ে নিলে কি হতে পারে...
জানা ছিলো না ঠিকমতো।
কত সুখ খুবলে খেয়েছে বেনিয়মের আবর্তন !
কেউটের খোলস ভর্তি মুক্তোগুলো
ছড়িয়ে পড়ছিলো, গড়িয়ে পড়ছিলো।
তার সমস্ত বিষের মাধুর্যে স্নাত হচ্ছিল তারা !
আহা সুখ !
মৃত্যু সুখ!
নীরব সুখ !
হঠাৎ সম্বিত ফিরতে সে সামনে তাকিয়ে দেখলো
আরশিতে কেবলমাত্র তারই প্রতিচ্ছবি।
প্রতিচিত্রে লেখা আজীবনের পান্ডুলিপি।
আগ্রহ ভরে চেষ্টা করলো পড়ার
কিন্তু অক্ষর যে সবার জন্য নয় !!