মণিকা চক্রবর্তী সৃষ্টিশীল এক লেখকের নাম। একাধারে তিনি একজন কথাশিল্পী, সঙ্গীতশিল্পী এবং প্রকৃতিপ্রেমিক।
জন্ম রক্তাক্ত একাত্তরের ছাব্বিশ ফেব্রুয়ারির কোনো এক মাহেন্দ্রক্ষণে শিল্প সংস্কৃতির লীলাভূমি কুমিল্লায়।
পড়াশোনা করেছেন তিনি কুমিল্লা হাই স্কুল এবং একসময়ের প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
ভালোবেসে জীবনসঙ্গী হিসেবে একদিন নিজের ভবিষ্যতকে মিলিয়ে নিয়েছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সৃজনশীল একজন মানুষ কুমার চক্রবর্তীর সাথে। সেই থেকে আজ অবধি আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে তাঁদের দুটি জীবন সুখে দুঃখে এক সাথে হাতে হাত রেখে পরম আস্থায় পরম বিশ্বাসে।
সায়ন্ত ও মিথিলা নামে দুই পুত্র কন্যা আছে এই আদর্শ দম্পতির। মিথিলা উচ্চ শিক্ষার্থে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে।
প্রকৃতিপ্রেমিক মণিকা চক্রবর্তী প্রকৃতই এক সৌন্দর্যের পূজারী।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় মধুমতী টাওয়ারের পনেরো তলা ভবনের নিজ বাড়ির ছাদে গড়ে তুলেছেন তিনি আবহমান এক বাংলাদেশ!!
শত প্রজাতির বৃক্ষরাজির সাথে তৈরি হয়েছে তাঁর নিসর্গ প্রেম। কখনো সখনো প্রতিবেশীদের সামাজিক আচার অনুষ্ঠানও পালিত হয়ে থাকে তাঁর ছাদ বাগানে। এতে তাঁর পরম তৃপ্তি পরম শান্তি। একটা সুন্দর মন না হলে কিভাবে সম্ভব এমন উদার ও মহৎ কর্ম?
সদা সাহিত্য সাধনায় মগ্ন লেখক মণিকা চক্রবর্তীর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য বইগুলো হলো - ভেসে এসেছিল সমুদ্র ঝিনুক, অপার্থিব্য গান, ছায়ান্ধকার, রোদের বৃত্ত, হাওয়ার সংকেত ও অন্যান্য, আ্যাম্ফি থিয়েটার, মন্ত্রসপ্তক, স্মৃতি সমুদ্র প্রভৃতি।
একজন সংবেদনশীল মনের কথাসাহিত্যিক মণিকা চক্রবর্তীর আগামির সৃষ্টিগুলো সমৃদ্ধ করুক বাংলা সাহিত্যের রত্ন ভান্ডারকে। আরও সুন্দর আরও দেদীপ্যমান হোক তাঁর সামনের পথ চলা।
ফেসবুক পরিবারের পক্ষে তাঁর জন্য রইল শুভ কামনা আজকের এই বিশেষ দিনটিতে।