শুক্রবার (৫ই জানুয়ারি) টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে লেবাননের ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ বলেছেন, বৈরুতে হামাসের উপ-প্রধানকে হত্যার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া না জানালে লেবাননে আরও ইসরাইলি হামলার সুযোগ তৈরি হবে।ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
মঙ্গলবার বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকণ্ঠে একটি ড্রোন হামলায় নিহত হন হামাসের রাজনৈতিক বুরোর উপপ্রধান সালেহ আল-আরৌরি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হামলার মাধ্যমে হিজবুল্লাহকে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, তাদের শক্তিশালী ঘাঁটিও ঝুঁকিমুক্ত না।
এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ভাষণে নাসরাল্লাহ বলেন, এমন ঘটনায় হিজবুল্লাহ চুপ করে থাকতে পারে না। চুপ থাকার অর্থ হলো পুরো লেবানন, সব শহর, গ্রাম ও ব্যক্তিরা হামলার ঝুঁকিতে থাকবে।
তিনি বলেন, ৮ই অক্টোবরের পর থেকে লেবানন-ইসরাইল সীমান্তে ৬৭০টি হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। এতে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বিপুল সংখ্যক যানবাহন ও ট্যাংক ধ্বংস হয়েছে।
হিজবুল্লাহ প্রধান বলেছেন, গাজায় ইসরাইল যদি নিজেদের সামরিক লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয় তাহলে হলে পরে ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তু পরিণত হবে লেবানন।
এর আগে বুধবার তিনি বলেছিলেন, বৈরুতে হামাসের উপ-প্রধানের হত্যা একটি জঘন্য অপরাধ যার পরে আমরা চুপ থাকতে পারি না।
নাসরাল্লাহ হামলার জন্য ইসরাইলকে দায়ী করার পাশাপাশি এই হত্যাকাণ্ডকে ইসরাইলের প্রকাশ্যে আগ্রাসন বলে অভিহিত করেছিলেন।