শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুরে মানুষের পাশে জাহাঙ্গীর-জালাল দু' ভাই

  • ইমাম হোসেন খাঁন :
  • ২০২৬-০৯-২৫ ২৩:২২:১৭

কোম্পানীগঞ্জ(নোয়াখালী)প্রতিনিধি।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৭ নং মুছাপুর 
ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের বিপদে পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেছেন
ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো: আলী আজগর জাহাঙ্গীর ও তার ভাই আলী আকবর জালাল 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজগর হোসেন জাহাঙ্গীর ও তার ভাই আলী আকবর জালাল ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা নিমার্ণ করা এবং মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা,মসজিদ, মন্দিরে জন্য সহায়তা, অসুস্থ অসহায় রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, অসহায় মেয়ের বিয়ের জন্য সহায়তা, নদীগর্ভে ঘর-বাড়ি বিলিন হওয়া সর্বহারা মানুষদের সহায়তা করেন।বৈশ্বিক মহামারী করোনা কালীন সময়, ২৪ সালের বন্যা, ঈদ উল ফিতর, ঈদ উল আযহাসহ সব সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এলাকার অসহায় মানুষের প্রতি।ইতোমধ্যে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় মেম্বার মো: আলী আজগর জাহাঙ্গীর ও তার ভাই আলী আকবর জালালকে মানুষ রেখেছেন ভালোবাসার চাদরে। 
মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন,মুছাপুর রেগুলেটর ভেঙে যাওয়ার পর মুছাপুর টু বাংলা বাজার রাস্তার ৭ নং ওয়ার্ডের কিছু অংশ নদীগর্ভে বিলিয়ন হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে পড়ে যায়।এলাকাবাসীদের ভোগান্তি থেকে রক্ষা করতে  ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা নির্মাণ করে দেন আলী আকবর জালাল। 
মুছাপুর ৭ নং ওয়ার্ডে দারুল উলুম তসির আহমদ মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী জানান,ক্লোজার ভেঙে যাওয়ায় দারুল উলুম তসির আহমদ মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নিজের জায়গা ভরাট করে নিজের অর্থ দিয়ে মাদ্রাসা নির্মাণ করে দিয়েে এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য গাড়ীর কিনে দিয়েছেন জালাল। বর্তমানে ঐমাদ্রাসায় প্রায় ৩শরও অধিক শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতেছে। 
৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা লিল মহন জানান,বৈশ্বিক মহামারী করোনা কালীন সময় এলাকার মানুষের খোঁজ খবর নিয়েছেন। সাধ্যমতো পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। জাহাঙ্গীর মেম্বার ও তার ভাই জালাল। 
সুনিল দাস জানান,২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন। এলাকার ধর্মিয় প্রতিষ্ঠান,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধ্যমতো সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মানুষের ঘর-বাড়ি যখন নদীগর্ভে বিলিয়ন হয়ে যাচ্ছে তখন জাহাঙ্গীর মেম্বার ও তার ভাই জালাল নিজের অর্থদিয়ে এবং নিজেরাই মাটি কেটে নদীর মোড গুরিয়ে দিয়ে মানুষের ঘর-বাড়ি রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন। 
এনায়েত উল্যাহ বলেন,টাকার অভাবে যাদের মেয়ের বিয়ে দিতে পারতেছে না। তাদের মেয়ের বিয়ের অ্যবস্থা করেছেন জালাল।অসহায় রোগীদের চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছেন।
মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আজগর হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, আমরা পাঁচ ভাই মিলে যাহা ইনকাম করি সকল অর্থ এলাকার মানুষের কল্যাণে ব্যয় করতেছি। আমাদের সকল ভাইদের সিদ্ধান্ত হলো, এলাকার মানুষ বিপদে পড়লে আমাদের পরনের একটা লুঙ্গি ও গায়ের জন্য একটা গেঞ্জি রেখে বাকী সব কিছু এলাকার মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেয়া জন্য।
আমাদের এলাকার একটা মানুষও যেন কোন ধরণের কষ্ট না করে।আমাদের সাধ্যমতো আমরা মানুষকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করে যাবো।আমাদের এলাকার মানুষ ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকবো।

 


এ জাতীয় আরো খবর