বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভের পর দলটি সরকার গঠন করছে।
প্রধানমন্ত্রীর শপথবাক্য পাঠ করান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালন করে। পরবর্তীতে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হলো।
প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর পর্যায়ক্রমে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে শপথ গ্রহণ করেন ২৫ জন মন্ত্রী। তারা হলেন:
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়াকোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আফরোজা খানম রিতা, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান।
এছাড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জুনায়েদ সাকি), ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মো. নুরুল হক নুর (ভিপি নুর), ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
কী-ওয়ার্ডস: প্রধানমন্ত্রীর শপথ, নতুন মন্ত্রিসভা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ