অপেক্ষায় ছিলাম আমি সিন্ধুর তীরে
তুমি সেথায় এসেছিলে বলাকায় চড়ে ...
কত যে ভাললাগা নির্বাক দুটি মনে
চোঁখে চোঁখে কত কথা কাঁপে তনুমনে ...।
পুড়িনেকি রোদে ডুবিনিত অন্ধকারে।।
আমার অশ্রুর আলপনা দেখ ঔ রক্তের আঁখরে ।।
সারাদিন ভাবনা ছিল এই সন্ধ্যের কথা...
জ্বালিবনা দীপ থাকবে নিরবতা ।।
এত কথা কি হয় এই এক সন্ধ্যায়...
তাও হতো দিনটার যদি সবটুকু পায়...।
মন্ত্রমুগ্ধ আলোড়ন ছেড়ে উঠিলে তুমি
আবার কবে আসিবে জানিতে চাহি আমি।।
বলিলে, প্রেয়সী স্বপ্ন ধরিয়া রাখ মনে...
হবেনা আর দেখা তোমার সনে ।।
বুঝিল না সে, তার বিরহে মরিব আমি ...
প্রেমের পথ সুগম নয় -প্রান্তর দেখালে তুমি
চলে যাবে যদি, কেন এলে , করিলে নিস্ব আমায়,
কিছু না বলে, শেষ রেখা টেনে দিলে ......
বলাকার ডানায় .........।।
আমি তাকেই শুধু ফেরাতে চাই..
যাকে আমি মনে প্রানে দিয়েছি ঠাঁই
এ দু'চোঁখের সরোবরে...
নীলপদ্ম ভাসে নিরব নির্জরে,
আছে সব, তব যেন কিছু নেই...
হবেনা পাওয়া তুমি সেই।
নিথর পাথর উদাসী হৃদয়...
পাষান পাখি ডানা ঝাপটায়,
কতদুরে যাবে তুমি দেখায়ে শতছল-
আমিও শতবার মুছিব এ কাজল ।
অনিমেষে এই হৃদয়ের অনুভবে..
তুমি থাক,আর চলে যাক সবে ।
নীলকন্ঠী ডেকে বলে কে করেছে বিভাগী
আজও কেন বসে আছ শুধু তারই লাগি ...।
নীরব বেদনায় ডুবে এ মন উড়ে উড়ে পালায় //
যেখানেই যায় সেখানে প্রেমময় সপ্ন কুড়ায়।
ভরসা নেই ,আছে অন্তরে বিশ্বাস ঐশ্বর্য মায়ায়,
তাই এ মন খুঁজে মরে পরমাত্নীয় অন্বেষায় ।।
পাহাড়ের নীচ কেঁপে ঝরনা হয়ে নামে
মনের কাঁপন যায়না দেখানো কোন দামে,
যদি পাই, তোমার সারা, শত যোজনে...
চলে যাবো নীলাভ দ্বীপে ভালবাসার প্লাবনে ।।
বিষাদে ভরিয়া নীল আকাশ আর নীল হয় ...।।
দুটি মন কবে এক হয়ে-যাবে মোহনায় ।।