মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

রী তা রা য়

  • বর্ষার কান্না
  • ২০২৪-০৩-১১ ২১:৩১:২৫

হেমন্তে দেখেছি হিম ধরা মাঠ,আকাশের নিচে দাড়িঁয়ে
চাঁদের বুড়ি যেন সাদা থানের আঁচল উড়ে।
বসন্তে লাল কৃষ্ণচূড়া,বাহারি পলাশের সারি সারি।
আকাশ ঢাকে আবির রঙ্গে,নক্ষত্রে নক্ষত্রে ঝিকিমিকি আকাশ
মৃত্যু ও যেন ফেলে যায় তার শ্বাস,দেখ ভালোবেসে।
রোগীর জরের মতন কেঁপে কেঁপে এল গ্রীষ্মের স্বাদ
কোথায় প্রচণ্ড খরা!নেই জৈষ্ঠ্যের অশ্রু শূণ্য ক্রন্দন!
সমস্ত আকাশ যেন সন্ধার রঙ নিয়ে করে মাতামাতি
বিজলি জ্বলে!মরে অসহায়!উঠল ভরে নদীকূল, মাঠ।
এ যেন ঘোর বর্ষা! শত শত মেঘদূত যেন করে আনাগোনা।।
কিন্তু কাশের রোগীর মতন এল বর্ষা,হারিয়ে তার নিজ ধব্জা!
ঘন ঘন পরে যেন শুষ্কহৃদয় পৃথিবীর দীর্ঘ শ্বাস!
যক্ষ্মারোগে ধুঁকে ধু্ঁকে মরে যেন মানুষের মন।
ওই বিনিদ্র আকাশ তলে নক্ষত্রপতির কুন্ঞ্জভুবনে
যেন কার নিতি আনাগোনা, কার শুনি ফিসফিসানি?
সুজলা - সুফলা ধরিত্রীর বুকে কীসের এত তীব্র ব্যথা?
কান্না যেন আজ নিষ্ঠুর, নির্দয়, লাজে মুখ লুকায় অবনি।
বর্ষার কান্না তুমি কি শীতের আড়ষ্ট সাপের মত রয়েছো
কুণ্ডলী পাকিয়ে?নাকি দপ করে নিভে যাওয়া নিভৃত অগ্নি?
হাতে নিতে দাওনিকো তুমি চাষার লাঙল,চিহ্ন শূণ্য ধরিত্রী আজও!
বাল্ তিতে জল ভরে কি তারা মেটাবে তোমার আশ?
শরীরে কাঁদার গন্ধ মেখে,শরীরে জলের গন্ধ মেখে
মোটা চালের নতুন ভাতের গন্ধ পেতে দাও চাষীর সন্তানে।

 


এ জাতীয় আরো খবর