আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে গণভোটের তফসিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ তফসিল ঘোষণা করেন, যা বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতার ও বিভিন্ন বেসরকারি গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ চলবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে।
তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আগারগাঁওয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানান, কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি আইন লঙ্ঘন করলে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার ভাষায়, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে ইসি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে, পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা থাকা জরুরি।
তিনি আরও জানান, ৩০০ আসনেই তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। গাজীপুর ও বাগেরহাটের সীমানা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশোধন করা হচ্ছে। পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারী, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা নির্ধারিত অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে ভোট দিতে পারবেন। ১৬–১৭ ডিসেম্বর থেকে পোলিং অফিসারদের নিবন্ধন শুরু হবে এবং হেফাজতে থাকা ভোটারদের নিবন্ধন হবে ২১–২৫ ডিসেম্বর।
এর আগে আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতে দেশব্যাপী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের নির্দেশনা পাঠায় নির্বাচন কমিশন। তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোটগ্রহণের দুদিন পর পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯-এর আওতায় প্রতিটি উপজেলা ও থানায় কমপক্ষে দুজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
কীওয়ার্ডস: নির্বাচন তফসিল, গণভোট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট