তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের ওপর দ্বিতীয় দিনের শুনানি শুরু হয়েছে।
বুধবার সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানির শুরুতে প্রধান বিচারপতি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে কার্যকর সমাধান চান তারা, যাতে এটি আর বারবার রাজনৈতিক অঙ্গনে সংকট তৈরি না করে।
২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করেন। ওই রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়।
এরপর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও বিশিষ্টজনেরা রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন।
এর মধ্যে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান রয়েছেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারও আবেদন করেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। তবে ২০১১ সালে তা বাতিল করা হয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে।
কীওয়ার্ডস:তত্ত্বাবধায়ক সরকার,রায় পুনর্বিবেচনা,আপিল বিভাগ,বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,সংবিধান সংশোধনী