মঙ্গলবার, মে ২৬, ২০২৬

আজ বাঙালির বেদনাবিধূর শোকের দিন

  • সকালের আলো প্রতিবেদক
  • ২০২৩-০৮-১৫ ০৯:১০:২৭

১৫ই আগস্ট।বাঙালির বেদনাবিধূর শোকের দিন।১৯৭৫ সালের এই দিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে কতিপয় সেনাসদস্য সপরিবারে হত্যা করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। পরিবারের শিশুসহ সবাইকে একসাথে হত্যার এমন নৃশংস ও জঘন্য নজির ইতিহাসে বিরল। নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকলেও বঙ্গবন্ধু কখোনোই বিশ্বাস করতেন না তাকে নিজ দেশের কেউ হত্যা করতে পারে। 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব দেয়ার অসাধারণ গুণ বাঙ্গালী জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলো মুক্তির আকাঙ্খায়। পাকিস্তানের শৃঙ্খল ভেঙ্গে তাঁর নেতৃত্বে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পায় বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর বজ্রকন্ঠের ডাক নিরস্ত্র বাঙ্গালীকে তুমুল প্রতিরোধ গড়তে উৎসাহ যুগিয়েছিলো সেসময়ের অন্যতম শক্তিশালী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। 
পাকিস্তানের শাসকরা মুক্তিযুদ্ধের আগে ও স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তাঁকে হত্যার বহু চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিলো। দেশ স্বাধীনের পরে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে সেই কাজটিই একদল বিপথগামী সেনাসদস্য। যে দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জীবনের পুরোটা সময় আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন সেই নিজ দেশে স্বাধীনতার স্থপতিকেই সপরিবারে হত্যা করে। দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। 
রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবদুল মান্নান মনে করেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার সঠিক ইতিহাস তরুণ প্রজন্মের জানা উচিৎ।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে মুিক্তযুদ্ধের মূল চেতনা থেকে বাংলাদেশকে সরিয়ে নেয়া হয়েছিলো। সাম্প্রদায়িকতার সেই ধকল এখনো কাটিয়ে উঠেনি বলেই মনে করেন তিনি। 
এই রাজনীতি বিশ্লেষক মনে করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। 
ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলেও তাঁর আদর্শ বেঁচে থাকবে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর সংগ্রাম মুক্তিকামী জনতার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে চিরকাল।


এ জাতীয় আরো খবর