Personal data policy

We use cookies to improve the functionality of our sites, to be able to perfect content and desire ads to you and for us to be able to ensure that the services work nicely : About our cookies and personal information

সর্বশেষ সংবাদ সড়ক ও নিরাপদ জীবন                  গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি                 নিরাপদ সড়ক জোরদারকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা                 নিরাপদ সড়ক জোরদারকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা                 টেকসই উন্নয়ন ধরে রাখতে সোনার মানুষ চাই                  “হাসি ফুটুক সবার মুখে-বিশ্ববাসী থাকবে সুখে”                 কেন এই অবক্ষয়                 এবার শীর্ষ দুর্নীতিবাজদের স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে বিচার চাই                 আমাদের শংকা এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ক্যাশলেস সোসাইটি                 ১৫ আগস্ট: শোকাহত হৃদয়ের ভাব                 জীবনের বিনিয়োগ                 তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে ‘ধূমপানের জন্য নির্দিষ্ট স্থান’ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন                 আমার বাবা আমার আদর্শ                 যাহা বাহান্ন তাহাই তেপ্পান্ন                 সেকাল-একালের ফরিদপুর এবং জাতির স্থপতি শেখ মুজিব                 বিশেষ সুন্দরীদের বিরুদ্ধে অভিযান দুর্নীতি বিরোধী জনরোষ এবং রাজনৈতিক প্রশাসনের দাবী প্রতিহত করার কৌশল নয়তো?                 ‘মা’ স্নেহ ও ভালবাসার মহাসাগর                 জাতিসংঘ এবং বিশ্ব ব্যাংক অমানবিক সংস্থায় পরিণত হয়েছে                 শোকের মাসে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের আহবান                 শোকের মাস আগস্টঃগভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি                  করোনামুক্ত দেশ গঠনে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই                 করোনায় ঘর ভাড়া পাব কই?                 প্রশান্ত মহাসাগরীয় অন্চলের কোভিড-১৯ ক্রাইসিস এখন চায়না এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনে রূপ নিয়েছে                 আমার বোঝার ক্ষমতা                 মাদকমুক্ত যুবসমাজ গঠনে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা                 আমার বাবা আমার আদর্শ                 জাতির মুক্তিসনদ ছয় দফা                 জীবন ও জীবিকার চমৎকার সমন্বয়ের বাজেট                  তামাকমুক্ত দেশ গড়ায় ‘ধূমপানের জন্য নির্দিষ্ট স্থান’ নয় ‘বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস’ আজ                 ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ( কালো ছত্রাক) বা মিউকরমাইকোসিস- আতংকিত নয়, সাবধান হোন                

Tuesday, October 26, 2021
Login
Username
Password
  সদস্য না হলে... Registration করুন


উপ-সম্পাদকীয়


নিরাপদ সড়ক জোরদারকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা
শারমীন রহমান :
সময় : 2021-10-08 14:10:35

সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের গভীর শোক, ক্ষত সৃষ্টি করে না, আর্থিকভাবেও পঙ্গু করে ফেলে ওই পরিবারকে। কোন কোন দুর্ঘটনায় পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি প্রাণ হারান। তখন ওই পরিবারের যে কী অবস্থা হয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর যারা পঙ্গুত্ববরণ করে তাদের পরিবারের অবস্থা আরো শোচনীয়। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সন্তানদের লেখাপড়া চিকিৎসা। বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল স্ট্যাটাস রিপোর্ট অব রোড সেইফটি ২০১৮ এর তথ্য অনুসারে প্রতিবছর বিশে^ ১.৩৫ মিলিয়ন মানুষ সড়কে মারা যায়। সড়ক দুর্ঘটনা বিশ্বে ৮ম বৃহত্তম মৃত্যুর কারণ; বিশেষ করে ৫-২৯ বছর বয়সের মৃত্যুর এটি প্রধান কারণ। ৯০ শতাংশ মৃত্যু নি¤œ ও মধ্য আয়ের দেশে সংগঠিত হয়। বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, বাংলাদেশে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়।  “দ্যা গ্লোবাল স্ট্যাটাস রিপোর্ট ২০১৮” অনুযায়ী বিশে^ মাত্র ১৩২ টি দেশ সড়ক নিরাপত্তার জন্য কৌশল অবলম্বন করে। ৪৬ টি দেশে গতি সম্পর্কিত, ৪৫ টি দেশে মদ্যপান সম্পর্কিত, ৪৯ টি দেশে হেলমেট সম্পর্কিত, ১০৫ টি দেশে সিটবেল্ট এবং ৩৩ টি দেশে শিশুদের জন্য নিরাপদ আসন সম্পর্কিত আইন প্রচলিত আছে। 

সড়ক দুর্ঘটনার কারণ: সড়ক দুর্ঘটনার নানাবিধ কারণ রয়েছে। তার মাঝে উল্লেখযোগ্য কারণগুলো নিমে¥াক্ত:  
১)  অনিয়ন্ত্রিতভাবে/বেপরোয়াভাবে /অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো ও ওভারটেক করার প্রবণতা 
২)  মদ্যপান/নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে গাড়ি চালানো। 
৩)  যথাযথভাবে ও মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা। 
৪)  সকল যাত্রীর সিটবেল্ট ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা নেই। 
৫)  শিশুদের ক্ষেত্রে শিশু সুরক্ষায় কোন ব্যবস্থা না থাকা, যেমন: শিশু সুরক্ষা আসন। 
৬)  পথচারীদের অসতর্ক চলাচল ও  
৭)  আইনে দুর্বলতা দিক এবং যথাযথ বাস্তবায়ন হচ্ছে না।  

ঝুঁকি হ্রাসের উপকারিতা/ফলাফল: 
১)  যদি গাড়ির গতি গড়ে ৫ শতাংশ কমানো হয় তাহলে ৩০ শতাংশ দুর্ঘটনা হ্রাস করা সম্ভব। 
২)  মদ্যপান ও নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের ক্ষেত্রে সড়ক আইনের সংশোধন ও এর যথাযথ বাস্তবায়ন করা গেলে ২০ শতাংশ সড়কে মৃত্যু কমানো সম্ভব। 
৩)  ড্রাইভার সহ সকল যাত্রীর সিটবেল্ট পরিধান বাধ্যতামূলক করা হলে সামনের সিটের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ এবং পিছনের সিটের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ যাত্রীদের দুর্ঘটনায় আহত হওয়া রোধ করা সম্ভব। 
৪)  মটর সাইকেলে সকল আরোহী যথাযথ মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০ শতাংশ মৃত্যু কমানো সম্ভব ও ৭০ শতাংশ গুরুতর আহত হওয়া থেকে বিরত রাখা সম্ভব। 
৫)  পরিবহনে বিশেষ করে ছোট গাড়িতে শিশুদের উপযুক্ত আসন ব্যবস্থা রাখলে, সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৪ থেকে ৮০ শতাংশ শিশুদের নিরাপদ রাখা সম্ভব। 
৬)  এছাড়াও যথাযথ সড়ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে পথচারী বা সড়ক ব্যবহারকারীর সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে যাবে। ইৎরবভ চধঢ়বৎ 
 ঘড়ঃব: যঃঃঢ়ং://িি.িযিড়.রহঃ/ারড়ষবহপবথরহলঁৎুথঢ়ৎবাবহঃরড়হ/ৎড়ধফথংধভবঃুথংঃধঃঁং/২০১৮/ঊহমষরংয-ঝঁসসধৎু-এঝজজঝ২০১৮.ঢ়ফভ  
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা এর ২০৩০ সালের পরিকল্পনায় ৩.৬ এবং ১১.২ অভীষ্ট হলো যথাক্রমে আর্ন্তজাতিকভাবে আহত ও নিহতের সংখ্যা কমিয়ে অর্ধেকে নামিয়ে আনা এবং সবার জন্য নিরাপদ, সুরক্ষিত, সহজলভ্য এবং টেকসই জীবন নিশ্চিত করা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই উদ্যোগের সাথে একাত্ত্বতা  ঘোষনা করেছেন। নিরাপদ ও ভ্রমণবান্ধব সড়ক গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার। এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এবং জাতিসংঘ ঘোষিত দ্বিতীয়বারের মতো ডিকেড অব অ্যাকশন ফর রোড সেফটির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করা হয়েছে এবং প্রণয়ন করা হয়েছে ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’। আইনটি  এবছর  আবারো  সংশোধনের  উদ্যোগ  নিয়েছে  সরকার।  তাই  আলোচ্য  সড়ক  দুর্ঘটনার কারণগুলো  নিরসনে  নিম্নোক্ত বিষয়গুলো আইনে অর্ন্তভূক্ত করা প্রয়োজন: 
১) গাড়ীর সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করা (যেমন- শহরে সর্বোচ্চ ৪০ কি.মি. হাইওয়ে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের জন্য ৯০ কি.মি. হাইওয়ে বড় ও ভারী পরিবহন বাস, ট্রাকের জন্য ৮০ কি.মি. পথচারীদের পারাপার সড়কে ৩০ কি.মি. গতিসীমা আইনে নির্ধারন করে দেওয়া); স্থানীয় সরকারকে সর্বনি¤œ গতিসীমা নির্ধারনে নির্দেশনা প্রদান;
 ২)  গাড়ির গতিসীমা ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন প্রনয়ণ: 
৩) মদ্যপান/মাদক  সেবন  করে  গাড়ি  চালানোর  ক্ষেত্রে  কোন  চালক  মদ্যপায়ী/মাদক  সেবন  করছে  কিনা  তা  নির্ণয়ে  ইষড়ড়ফ অষপড়যড়ষ ঈড়হপবহঃৎধঃরড়হ (ইঅঈ) পদ্ধতির মাধ্যমে সর্বোচ্চ মাত্রা ০.০২ গ্রাম / ডেসিলিটার নির্ধারণ করে দেয়া; 
৪)  মোটরসাইকেল আরোহীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ০২ জন আরোহী এবং হেলমেট পরিধানের ক্ষেত্রে চালক ও আরোহী উভয়ের জন্য বাধ্যতামূলক সেইসাথে বিএসটিআই কর্তৃক অনুমোদিত হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে দেওয়া; 
৫) গাড়ি বা যানবাহনে চালকসহ সকল যাত্রীদের (সামনের ও পিছনের সিটের) সিট বেল্ট পরিধান বাধ্যতামূলক করা; পুরাতন যানবাহনে রেট্রফিটিং-এর মাধ্যমে সকলের জন্য সিট বেল্টের ব্যবস্থা রাখা; এবং 
৬) পরিবহনে শিশুদের জন্য নিরাপদ/সুরক্ষিত আসন সিস্টেম চালু করা বিশেষ করে ১২ বছরের নিচে শিশুদের জন্য;  

গণমাধ্যমের ভূমিকা:  দেশের  উন্নয়নে  গণমাধ্যম/মিডিয়া/সাংবাদিকদের  ভূমিকা  অনস্বীকার্য।  তেমনি  নিরাপদ  সড়ক  নিশ্চিত  করার  ক্ষেত্রে গণমাধ্যম/মিডিয়া/সাংবাদিকদের ভূমিকাও অন্যতম। প্রতিনিয়ত দেশের সড়কের পরিস্থিতি, দুর্ঘটনা, নিরাপত্তা ইত্যাদি সম্পর্কে বিভিন্ন  প্রতিবেদন/সংবাদ  প্রকাশের  মাধ্যমে  দেশের  সর্বস্তরের  মানুষদের  অবহিত  করছে  গণমাধ্যমসমূহ।  সেই  সাথে  সড়কের নিরাপত্তায় করণীয়সমূহ ও তার বাস্তবায়ন অগ্রগতি তুলে ধরছে গণমাধ্যম। নিরাপদ সড়ক আরো জোরদারকরণে নীতি-নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষন ও জনসমর্থন তৈরির লক্ষ্যে গণমাধ্যমের সহায়তা পাওয়া ও একটি শক্তিশালী মিডিয়া নেওর্য়াক স্থাপনের জন্য সকল স্টেখোল্ডারদের একত্রে কাজ করা প্রয়োজন।      

 

সকল মন্তব্য

মন্তব্য দিতে চান তাহলে Login করুন, সদস্য না হলে Registration করুন।

সকালের আলো

Sokaler Alo

সম্পাদক ও প্রকাশক : এস এম আজাদ হোসেন

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা আফসানা আশা

সকালের আলো মিডিয়া ও কমিউনিকেশন্স কর্তৃক

৮/৪-এ, তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০ হতে প্রকাশিত

মোবাইলঃ ০১৫৫২৫৪১২৮৮ । ০১৭১৬৪৯৩০৮৯ ইমেইলঃ newssokaleralo@gmail.com

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদপ্তরে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত

Developed by IT-SokalerAlo     hit counters Flag Counter