আমাদের গগনতান্ত্রিক দেশ বাংলাদেশ, অসাম্প্রদায়িক দেশ বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। এদেশ আমার আপনার, আমাদের সকলের। বাংলাদেশে বসবাস করে আসছে নানান ধর্মাবলম্বী মানুষ। গনতান্ত্রিক দেশে সকলের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে একটি স্বাধীন দেশে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সুস্থ সুন্দরভাবে নিজের মতো করে বাঁচার অধিকার আছে। অধিকার আছে নিজের পছন্দ মতো রাজনৈতিক মতাদর্শ লালন করে ধারন করে নির্বিঘ্নে জীবন জাপনের।
নবগঠিত অন্তর্বতীকালিন সরকারের সময় ক্ষুদ্র এক শব্দশ্রমিক হিসেবে আমার পেশা এবং অভ্যাসের প্রথম বহিঃপ্রকাশ লিখিতভাবে আমার প্রতাশ্যাকে প্রকাশ করছি। আমার প্রত্যাশা আমাদের দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ হবে। নতুন নীতিনির্ধারকগন সকল অনিয়ম ও দূর্নীতি বন্ধ করতে স্বচেষ্ট থাকবেন আমি বিনয়ের সাথে সেই দাবী জানাচ্ছি। কর্মপরিকল্পনার মধ্যে অধিক গুরুত্বের সাথে একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করার বিনীত অনুরোধ করবো দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে। সেটি হলো যে বৈষম্য নিরাময় করার জন্য অকালে ঝড়ে গেলো শতাধিক তাজা প্রাণ। কতো মায়ের বুক হলো খালি, কতো সন্তান হলো পিতৃহীন। হারিয়ে গেলো কতো স্বপ্ন কতো সম্ভাবনা ! যে মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংস্কার করার জন্য আমাদের সন্তানরা মাঠে নেমেছে অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছে প্রাণ সেই মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা সংস্কার করার বিনয়ের সাথে দাবী জানাছি।
আমাদের দেশে যেনো কোনো ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আর না থাকে। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সমস্ত সুযোগ সুবিধা বন্ধ করা হোক দ্রুত। সবাইকে বলছিনা কিছু মুক্তিযোদ্ধা টাকার বিনিময় তার এলাকায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সনদ পেতে সহায়তা করেছেন মিথ্যা বলেছেন মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুয়া সনদ বৈধ করেছেন তদন্ত করে তাদেরও সনদ বাতিল করে সকল সুবিধা বন্ধ করা হোক। যে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা কোটা ব্যবহার করে চাকরি করছে কিংবা যে যে ক্ষেত্রে কোটা ব্যবহার করছে সেই সকল কিছু থেকে তাদের বহিস্কার করা হোক। সাথে সাথে তারা দেশ ও জাতির সাথে যে প্রতারণা করেছে তাদের আইনের মাধ্যমে উপযুক্ত সাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যমের রিপোর্টে জেনেছি অসংখ্য সনদ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার প্রকৃত জন্ম ১৯৭১ এর পরে এটা আমাদের জন্য লজ্জার। আমাদের এই লজ্জার অবসান হবে, আজকের দিনে এই প্রত্যাশাই রইলো আমার !