ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি ঃ এফএও ফুড এন্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন ( আন্তজার্তিক সংস্থা ইউএন এর একটি প্রতিষ্ঠান) এর বিশেষ ঠিকাদার ও একতা ফিস এর স্বত্তাধীকারী নগরীর খালিশপুর চরেরহাট এলাকার বাসিন্দা এস এম মোস্তফা জাহিদ দির্ঘদিন যাবত হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে। এ বিষয়ে খালিশপুর থানায় ভুক্তভোগি সাধারন ডায়েরীও করেন। ডায়েরী করার পর হয়ারানীর যেন আরো বাড়তে থাকে। থানায় ডায়েরী সুত্রে জানা যায় দিনাজপুর এলাকার আওয়ামীলীগ নেতা খলিলুল্লাহ আজাদ ও দিনাজপুরের গোবদপুর গ্রামের বাসিন্দা মফিজুর রহমান বাদল ভুক্তভোগি ঠিকাদার জাহিদ এর নামে দিনাজপুর কোর্টে ৫ টি মামলা করেন যার নং সি আর ৩১৪/২০১৫, কোতয়ালী, সিআর ২৯৭/২০১৬/ কোতয়ালী, সি আর ৩১৩/২০১৬ কোতয়ালী, সি আর ৩১৪/২০১৬ , সিআর ৩১৫/২০১৬ কোতয়ালী । মামলা দায়ের এর পর বিবাদীরা বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে ঠিকাদার জাহিদকে । তাদের হুমকির কারনে সে সময়ে কোটে যেতে পারিনি ভুক্তভোগি , বিজ্ঞ আদালত ঠিকাদার জাহিদ এর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন। পরবর্তিতে নথি তলব দিয়ে মামলা থেকে জামিন হন ভুক্তভোগি । উক্ত মামলাগুলি বিচারের জন্য দায়রা জজ আদালতে প্রেরন করা হয় এবং পুনরায় দায়রা জজ আদলত থেকে জামিন দেন ভুক্তভোগি। থানায় দায়েরকৃত সাধারন ডাযেরীর সুত্রে আরো জানা যায় আদালতে মামলার হাজিরা দিতে গেলে বিবাদীদ্বয় হুমকি প্রদান করেন। ভুক্তভোগি জাহিদ বলেন বিগত আওয়ামী সরকারের সময় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর এস এম খুরশিদ আহম্মেদ টোনা বিবাদীদ্বয়ের সাথে আর্থিক সুবিধা নিয়ে আমাকে সে সময়ে র্যাব দিয়ে ধরিয়ে জোরপুর্বক টাকা আদায়ের চেষ্টা করে , তিনি আরো বলেন বিগত সরকারের আমলে আমি বিভিন্নভাবে হয়রানির স্বীকার হয়েছি কিন্তু মুখ খুলতে পারিনি আমাকে এলাকা ও বাড়িঘড় ছাড়া করা হয়েছে, আমাদের ছাত্রসমাজের ওপর আমি কৃতজ্ঞ যে আজ আমি দির্ঘদিন পর আমার এলাকায় এসেছি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পেয়েছি। তিনি বলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর এস এম খুরশিদ আহম্মেদ টোনা তার আপন চাচতো ভাই হাবিবুর রহমানকে দিয়ে আমার নিজ বাড়ির ৬ শতক ৩৩ পয়েন্ট জমি ক্ষমতার দাপটে দখল করে নিয়েছে, এছাড়া টোনার অনুসারী আঃ রশিদ আমার ৩ শতক জমি সহ রাস্তা জোরপুর্বক দখল করে নিয়েছে । ভুক্তভোগি ঠিকাদার জাহিদ এ বিষয়ে প্রশাসনের সকল স্থরের নিকট সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং অপরাধীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।