মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন অবমাননা ও শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদ বাকবিশিস'র

  • হাসান মেহেদী
  • ২০২৪-০৮-১৬ ১৫:০৮:৫৬
image

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন অবমাননা ও শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদ বাকবিশিস'র
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত ও দেশত্যাগের পর মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন ভাঙচুর ও অবমাননা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদ   জানিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস)। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকমল হোসেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়,  ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত ও দেশত্যাগ করেন সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর বিরুদ্ধে গণহত্যাসহ একাধিক মামলা হয়েছে, যা বিচারাধীন। তিনি দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তি পাবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাঁর  অপরাধের জন্য ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর স্মরণে বিভিন্ন স্থানে নির্মিত ভাস্কর্য, ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর ইত্যাদি গুড়িয়ে দিতে হবে কেন? বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে ও জোর করে চেয়ার থেকে টেনে হিচড়ে  তুলে দেয়া হচ্ছে। কিছু তথাকথিত শিক্ষকও এর সাথে যুক্ত হচ্ছেন। যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কোন প্রতিষ্ঠান প্রধান বা শিক্ষক অপরাধী হলে আইনগতভাবে তাঁর অপসারণ ও বিচার হতে হবে। কেউ এভাবে শিক্ষকদের অপমান করতে পারে না। বিবৃতিতে  আরো উল্লেখ করা হয়,  বর্তমান বাংলাদেশ তো শেখ হাসিনার সৃষ্ট নয়। ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্ত, দুই লক্ষেরও অধিক মা-বোনের  সম্ভ্রম এবং কোটি কোটি নিরীহ মানুষের অকল্পনীয় দু:খ-নির্যাতনের বিনিময়ে ১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এই দেশ অর্জিত হয়েছে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশ  আমাদের সকলের। দেশের জন্ম ইতিহাসকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে সকলের উচিৎ অতীতের সকল ভুল-ভ্রান্তি,  অন্যায়-অত্যাচারের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সুন্দর আগামীদিনের জন্য সকল প্রকার শোষণ-বৈষম্যমুক্ত একটি আধুনিক এবং মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে এগিয়ে যাওয়া।