চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান ও জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম এবং তাঁর বন্ধু নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের হরিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল মতিনকে একই সাথে নৃশংসভাবে গত ২৭জুন গুলি কওে ও বোমা মেরে এবং ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে। শনিবার(৭জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে শিবগঞ্জ মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে উপজেলা আ’লীগের ব্য্যানারে আয়োজিত ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে সাালামের পরিবারের সদস্যরা,এলাকাবাসী শতাধিক নারীপুরুষ এবং দলীয় নেতাকর্মীরা যোগ দেন। মানববন্ধন থেকে হত্যাকারী ও এর মদদদাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা আ’লীগ সভাপতি নজমুল কবির মুক্তা, সাধারণ সম্পদক আতিকুল ইসলাম টুটুল খান, নিহত সালামের ছেলে মো.হিরো,বোন লাইলী বেগম,ভাবি সায়েমা আক্তার,ভাতিজি রুমা খাতুন, উপজেলা শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক মো.মানিক, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সামিউর রহমান বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ হিল বাকি, পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি আলী রাজ,সাধারণ সম্পাদক ডলার ইসলাম রকি প্রমুখ।
বক্তরা হত্যাকান্ডের জন্য এলাকায় সালামের প্রতিপক্ষ,হত্যা মামলার প্রধান আসামী, নয়ালাভাঙ্গা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপির প্রভাবশালী নেতা আশরাফুল হক এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে দায়ী করেন। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা বলেন, আশরাফসহ তার বাহিনীর সকলকে আইনের আওতায় আনতে হবে। হথ্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসি দাবি করেন বক্তারা।
জোড়াখুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) ও শিবগঞ্জ থানার পরিদর্শক(তদন্ত) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, মামলায় ৫২ জন এজাহারনামীয় আসামীর মধ্যে প্রধান আসামীর স্ত্রী ও ২ নং আসামী,৪,৭ ও২১ নং আসামী এবং তদন্তেপ্রাপ্ত ৩ আসামীসহ মোট ৭ আসামীকে এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী ওসমান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। প্রধান সহ অন্য সকল আসামীকে গ্রেপ্তারে ও অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। মামলার তদন্তেও অগ্রগতি হয়েছে।