ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ট্রাফিক) যুগ্ম কমিশনার মেহেদী হাসানের নির্দেশনায়, রমনা ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোঃ জয়নুল আবেদীন এর তত্ত্বাবধানে ট্রাফিক শাহবাগ জোনের সহকারি পুলিশ কমিশনার মেহেদী হাসান শাকিল এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ট্রাফিক পুলিশের শাহবাগ জোনের পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) এ কে এম মঞ্জুরুল আলম এর উদ্যোগে সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে শাহবাগ মোড় থেকে আজিজ সুপার মার্কেট গ্যাপ পর্যন্ত মিডওয়ে আইল্যান্ডে বাঁশও কাঁটাতার দিয়ে বেরিয়ার তৈরি করেন। এবং এসব বেরিয়ার এর মধ্যে রিফ্লেক্টিভ স্টিকার সংযোজন করা হয়।যাতে জনসাধারণ বিশৃংখল ও অনিরাপদ ভাবে রাস্তা পারাপার না করতে পারে সেই সাথে ফুট ওভারব্রিজ ও জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করতে বাধ্য হন। রাস্তা পারাপারে সড়ক আইন মেনে চলে ফুট ওভারব্রিজ জেব্রা ক্রসিং ব্যবহারে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশের এই কার্যক্রম প্রতিনিয়ত অব্যাহত আছে। এছাড়াও এসব এলাকায় ফুটপাত থেকে অবৈধ দখলদার ও হকার উচ্ছেদ করেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের বহিঃ বিভাগ (পিজি-আউটডোর) ও বিসিএস একাডেমি গ্যাপ এলাকা হকার ও ভাসমান দোকান মুক্ত করা হয়। এর ফলে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও জনসাধারণের নির্বিঘ্নে চলাচল সুনিশ্চিত করা হয়। ইতোপূর্বে উক্ত এলাকাটি হকার ও ভাসমান দোকান এবং অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে জনসাধারণের চলাচলে বিপত্তি ঘটতো। ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে এসব এলাকায় অবৈধ পার্কিং ও হকার উচ্ছেদের কারণে সড়ক গুলোতে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। এতে করে পথচারীদের চলাচলে অনেকটাই স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ট্রাফিক রমনা বিভাগের অন্তর্গত শাহবাগ জোনের টিআই এ.কে.এম মঞ্জুরুল আলম জানান"ট্রাফিক পুলিশের এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"
শাহবাগ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি অবৈধ ভাসমান দোকান ও হকারমুক্ত হওয়ায় এবং মিডওয়ে আইল্যান্ডে বাঁশও কাঁটাতার দিয়ে বেরিয়ার দিয়ে সড়কটি পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্বিঘ্ন করায় মানুষের কাছে প্রশংসা পেয়েছে রমনা ট্রাফিক বিভাগ।