ঘুর্ণিঝড় রেমালের তাল্ডবে পাইকগাছায় সুপেয় পানির সংকট বাড়ছে

  • এইচ,এম,শফিউল ইসলাম
  • ২০২৪-০৬-০২ ২২:৫৬:৫৭
image

কপিলমুনি (খুলনা) সংবাদদাতা
 পাকইগাছায় জলোচ্ছ্বাসে লবন পানতিে প্লাবতি হয়ে বহু গ্রামরে মানুষ তব্রি  সুপয়ে পানরি সংকটে পড়ছে।ের্ঘূণঝিড়র প্রভাবে সৃষ্ট জলচ্ছাসে পাকইগাছায় বশেরি ভাগ এলাকায় প্লাবতি হয়ছে।ে লবণ পানি প্রবশে করছেে সুপয়ে পানরি আধার সরকার-িবসেরকারি পুকুর।ে ক্ষতগ্রিস্ত বভিন্নি এলাকার পএিসএফ ও টউিবওয়লে। যার ফলে উপজলোর দলেুট,িলতা,সোলাদানা,গড়ুখালী, লস্কর ও চাদখালী ইউনযিানে বশেরি ভাগ এলাকায় সুপয়ে পানরি তীব্র সংকট দখো দয়িছে।ে নদী তীরর্বতী এলাকার অনকেে বাধ্য হয়ে লবণ পানি পান করছনে। লবণ পানি পান ও ব্যবহার করায় অনকেরে র্চমরোগ ও পটেরে পীড়া দখো দয়িছে।ে কউে কউে জীবন বাঁচাতে দূর-দূরান্ত থকেে পানি ক্রয় করে আনছনে। ঝড়রে তান্ডব শষে হওয়ার পরে জলো-উপজলো প্রশাসনরে পক্ষ থকেে শুকনো খাবার পাওয়া গলেওে, সুপয়ে পানরি কোন সরবরাহ ছলি না র্দুগত এলাকায়। সরকারি ভাবে নদী তীরর্বতী এলাকায় সুপয়ে পানি সরবরাহরে দাবি জানয়িছেনে স্থানীয়রা।
উপজলো সদর পৌরসভা,গদাইপুর,কপলিমুনি ও রাড়ুলী ইউনয়িনরে বাইরে সব জায়গায় সুপয়ে পানরি তীব্র সংকট দখো দয়িছে।ে রমোলরে আঘাতে জলোচ্ছ্বাসে লবন পানতিে প্লাবতি হয়ে এই উপজলোর দলেুট,িলতা, সোলাদানা ও গড়ুইখালী ইউনয়িনরে র্সবত্রই এখন সুপয়ে পানরি সংকট। এসব ইউনয়িনরে বহু গ্রামরে মানুষ তব্রি  সুপয়ে পানরি সংকটে পড়ছে।ে জলমগ্ন গ্রাম গুলোর মধ্যে ২২নং পোল্ডাররে দলেুটি ইউপ’ির তলেখিালী,হাটবাড়ী,কালনিগর,ফুলবাড়ী,গোপপিাগলা,গউেবুনয়িা চকর-িবকরসিহ ১২গ্রাম ও ২৩ নং পোল্ডাররে সোলাদানা ইউপ’ির ছালুবুনয়িা,খালযিারচক, আমুরকাটা,সোলাদানা, বয়ারঝাপা,দীঘাসহ ২১গ্রাম ও লস্কর ইউপ’ির করুলয়িা ও লস্কর,১৯/২০ পোল্ডাররে লতা, হান-িমুনকয়িা,পুটমিারী,১০/১২ পোল্ডাররে গড়ইখালী।
সরজেমনিে দখো গছে,ে এসব এলাকায় স্নান ও গৃহস্থলীর কাজ ব্যবহৃত পানি ও সুপয়ে খাবার পানরি তব্রি সংকট দখো দয়িছে।ে জলোচ্ছ্বাসে  লবন পানতিে প্লাবতি হয়ে মষ্টিি পানরি উৎস্য পুকুর-খাল ও জলাশয় নষ্ট হয়ে গছে।ে কোথাও কোথাও মষ্টিি পানরি মাছ ও শামুক,ঝনিুক জলজপ্রানী মরে র্দুঘন্ধ ছড়াছ।ে দলোটি ইউনয়িনরে  তলেখিালি গ্রামরে সবতিা মণ্ডল বলনে, ঝড়ে গাছ পড়ছ,ে ঘর ভাঙছে রাস্তা ও বাড়-িঘরে পানি উঠছ।ে সসেব এখন স্বাভাবকি করার চষ্টো করছ।ি কন্তিু যে পুকুররে পানি যে লবণ হয়ে গছে,ে তা মষ্টিি করবো কি দয়ি।ে পানরি যে কি কষ্ট তা বলে বুঝানো যাবে না। একই গ্রামরে র্ঝণা আক্তার বলনে, ঝড় চলে গছে,ে কন্তিু আমাদরে সব জায়গায় লবণ পানি দয়িে গছে।ে মূলত বৃষ্টরি পানি খাচ্ছি আমরা। কন্তিু গোসল রান্না এসব কাজরে জন্য বাধ্য হয়ে লবণ পানি ব্যবহার করতে হচ্ছ।ে অনকেরে র্চমরোগ দখো দয়িছে।ে পটেরে পীড়াও হচ্ছে সাধারণ মানুষরে। উপজলোর মানুষও সুপয়ে পানরি একই ধরনরে সংকটে ভুগছনে। সোলাদানার আমুরকাটার বাসন্দিা বকিাশন্দেু সরকার জানান, ইউনয়িনরে মানুষ এমনতিইে সুপয়ে পানি সংকট আছ।েএর পরইে র্ঘুনঝিড়ে বঁেড়বিাঁধ ভঙ্গেে একাধকি গ্রাম প্লাবতি হয়ে খাবার জলরে সংকট আরো তব্রি হয়ছে।ে
লতা ইউপি চয়োরম্যান কাজল কান্তি বশ্বিাস জানান, এমনতিইে লতাসহ আশপাশ ইউনয়িনগুলো   টউিবওয়রে সাকসসেফুল না। এ র্দুযোগে এলাকা প্লাবতি হয়ে পুটমিারী,লতাসহ কযকেটি গ্রামরে মানুষরে স্নান ও খাবার জলরে সমস্যায় পড়ছে।ে গড়ইখালী ইউপি চয়োরম্যান জ,িএম আব্দুস সালাম করেু বলনে,স্থানীয় আলমশাহী ইনস্টটিউিটরে পুকুর থকেে পাইপ লাইনরে মাধ্যমে শবিসা নদী তীরর্বতী এলাকার মানুষ সুপয়ে পানি চাহদিা পূরন করছনে। লস্কররে দীপঙ্কর মন্ডল জানান,র্দুযোগে আমরা গৃহস্থালরি কাজে ব্যবহৃত পানি ও খাবার পানি কষ্টে আছ।ি আইলায় পোল্ডারে লবন জল ঢুকলওে গ্রাম বাসরি একমাত্র ভরসা মষ্টিি পানরি বড় দীঘি অক্ষত ছলি। কন্তিু রমোলে এ দীঘি প্লাবতি হয়ে তছনছ করে দয়িছে।ে মাছ,শামুক-ঝনিুক মরে র্দুঘন্ধ ছড়াছ।েসোলাদানা গ্রামরে মোঃ জাহদিুল ইসলাম বলনে, ঝড়ে এত বশেি পানি হয়ছেলি পুরো এলাকা তলয়িে গছে।ে এখনও বশেরি ভাগ জায়গায় পানি জমে আছ।ে যে পুকুররে পানি সবাই পান করতো, সইে পুকুররে পানি এখন লবণাক্ত। বাধ্য হয়ে অনকেইে লবণ পানি পান করছনে। একই এলাকার কহনিুর বগেম  বলনে, চারদকিে পানি কন্তিু খাবার ও গোসলরে পানি নইে। বাধ্য হয়ে লবণ পানি খাচ্ছ।ি প্রথম দুই দনি কষ্ট হচ্ছলি, কন্তিু জীবনতো বাঁচাতে হব।ে
প্লাবতি এলাকায় তব্রি খাবার পানরি সংকট নরিসনে মোবাইল ওয়াটার ট্রটিমন্টে প্লান্টরে মাধ্যমে বভিন্নি স্থানে বনিামূল্যে সুপয়ে পানি সরবরাহ শুরু হয়ছে।ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধদিপ্তর ক্ষতগ্রিস্থ এলাকায় প্রতদিনি ৭ ঘন্টা করে খাবার পানি সরবরাহ করছনে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধদিপ্তররে  উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহাদাৎ হুসাইন জানান,র্দুযোগে ক্ষতগ্রিস্থ দলেুট,ি সোলাদানা ও গড়ইখালী ইউনয়িনে মোবাইল ওয়াটার ট্রটিমন্টে প্লান্টরে মাধ্যমে প্রতি ঘন্টায় ৬৬০ লটিার করে  বনিামূল্যে খাবার পানি বতিরণ র্কযক্রম শুরু হয়ছে।ে তনিি আরোও বলনে, বৃষ্টরি পানি সংরক্ষণে ইতোর্পুবে ১০ ইউনয়িনে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ৩ হাজার লটিাররে ৫ হাজার পানরি ট্যাংকি বতিরন করা হয়ছে।ে পরস্থিতিি স্বাভাবকি না হওয়া র্পযন্ত এটি চলব।ে তবে র্ঘূণঝিড় রমিালে র্দুগত স্থানীয়রা বলছনে, এই পানতিে আসলে সংকট মটিবে না। এটা উপজলোর একটি জায়গায় দওেয়া হচ্ছ।ে প্রত্যন্ত এলাকায় যতেওে পারছে না। সুপয়ে পানরি সংকট মটোনোর জন্য ভ্রাম্যমাণ ওয়াটার ট্রটিমন্টে প্লান্টরে সংখ্যা বৃদ্ধি করা দরকার।