একই সাথে গ্রেপ্তার মধুমতি সংক্রান্ত ৩৮ মামলার ওয়ারেন্টের আসামী মাহমুদার মা ও ২ ভাই

  • জাকির হোসেন পিংকু,
  • ২০২৪-০৫-০২ ২১:৪৭:২৪
image

চাঁপাইনবাবগঞ্জে  বহুল আলোচিত প্রতারক এনজিও মধুমতি’র চেয়ারম্যান ১১৩ মামলার ওয়ারেন্টভূক্তত আসামী মাহমুদা ঢাকা থেকে প্রেপ্তার
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা ভিত্তিক বহুল আলোচিত প্রতারক এনজিও মধুমতি’র চেয়ারম্যান ও এনজিও’র কারাগারে থাকা এমডি মাসুদ রানার স্ত্রী মাহমুদা খাতুনকে(২৭) ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার নামে শিবগঞ্জ থানায় মধুমতি এনজিও সংক্রান্ত ১১৩টি সিআর (আদালতে দায়ের) মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে। একই অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে  মধুমতি সংক্রান্ত সিআর মামলার ওয়ারেন্টভূক্তত আসামী  মাহমুদার মা তাহেরা বেগম(৬০) এবং  দুই ভাই মো.তৌহিদ(৩০) ও ইবনে কাসির(২৮)। এই ৩ জনের নামে জেলার গোমস্তাপুর থানায় ৩৮টি ওয়ারেন্ট রয়েছে।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার ভোররাতে ঢাকার সাভার বাইপাইল পল্লী বিদ্যূৎ এলাকার একটি ৭ তলা বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পলাতক  ওই চার আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা শিবগঞ্জের মোজাম্মেল হকের স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে।
একাধিক সুত্রে জানা গেছে, জেলাব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মধুমতি এনজিও’র বিরুদ্ধে অন্তত: ৩৫ হাজার গ্রাহকের অন্তত: ১০৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, মধুমতি গ্রæপের  এমডি ও প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ রানা গত ২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর জেলার গোমস্তাপুর থানা পুলিশের নিকট অবৈধ পিস্তলসহ গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। এরপর থেকে এনজিও’র সকল কার্যক্রম বন্ধ। পথে বসেছেন হাজার হাজার আমানতকারী। এমতাবস্থায় গ্রাহকদের লাগাতর বিভিন্ন কর্মসূচী পালন ও  বিক্ষোভ প্রদর্শণ করেন আদালতের আদালতের শরনাপন্ন হন।
শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পুলিশের একটি বিশেষ দলের অভিযানে গ্রেপ্তার হয় ওই ৪ জন। এর মধ্যে মাহমুদার নামে  এখন পর্যন্ত শিবগঞ্জ থানায় ১১৩টি ওয়ারেণ্ট পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে মোট মামলার সংখ্যা আদালতে জানা যাবে। গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) চৌধুরী জোবায়ের আহমেদ বলেন, থানায়  মাহমুদার মা ও দুইভায়ের নামে ৩৮টি মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রকৃত মামলার সংখ্যা আদালতেই জানা যাবে। বৃহস্পতিবার( ২মে) বিকালে গ্রেপ্তার ৪ আসামীকে  দুই থানা থেকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।