কাঙ্ক্ষিত পূর্ণিমা রাত্রির জন্য আনন্দের অপেক্ষা ছিলো
দূর! রাত্রিটা শুরু হলো অহেতুক তর্কে -বিতর্কে,
সারাদিন বাসন্তি আভার মিহি সুরে লগ্ন পার হয়ে
কষ্টগুলো ভাসছিলো শিশিরভেজা ভোরের হাওয়ায়।
তৃষ্ণাকাতর চাতকির বিরহভরা রাত্রির দ্বিপ্রহরে
আমিও দাঁড়িয়ে আছি বহুকাল বহুযুগ ধরে,
স্বপ্নরাঙা ইচ্ছের পেন্সিলে এঁকেছি বহু তাজমহল।
চোখ মেলে দেখি ফাগুনের রুমাল ভরে আছে
যাচ্ছেতাই অনাকাঙ্ক্ষিত নিভৃত অন্ধকার।
বৈশাখের চড়া আনন্দে তাপদহ একচিলতে উঠোনে
ভবিষ্যৎ আঁকড়ে তবুও বেঁচেছিলো গতিময় দিনগুলো,
তবুও ছাই হওয়া পান্ডুলিপির অভ্যন্তরে
টিকে থাকা ব্যক্তিত্বের অবচেতন আহাজারি।
হয়তোবা উৎসব আমেজে ক্রমশঃ বিকিয়ে যাচ্ছে
সোনাভরা দিন আর রাত্রিগুলোর সোনারতরী।
চৈত্রের তাপদহে শুকিয়ে যাওয়া কূয়োর পানিতে
কাতরানো সোনাব্যাঙের খবর কেউ রাখে না---
মাঝে মাঝে মনে হয়,সব রাত্রিই পূর্ণিমা নিয়ে আসে না,
কোন কোন রাত্রি অমাবস্যার প্রসন্ন ঠাট্টায়ও হাসে!
একদিন অবহেলায় ঝিমিয়ে মরে ফাগুনের বারান্দায়।