রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জঃ
গত বছরের ন্যায় এবারও রমজানে বেড়েছে কলার দাম সহ সব ধরনের ফলের দামও। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা। রোজায় কলা সহ সব ধরনের ফলের দাম বৃদ্ধির ফলে আমজনতা বোবা হয়ে গেছে। না পারছে কিছু করতে না পারছে কিছু বলতে।
এদিকে সরকারি নির্ধারিত দামেও পাওয়া যাচ্ছে না খেজুরের দামও। ইফতারি ও সেহরীতে পুস্টিকর খাবার খাওয়ার দরকার থাকলেও খেতে পারছে না রোজাদার ব্যাক্তিরা। ইফতারে না পারলেও সেহরীতে দুধ ও কলা দিয়ে ভাত খেয়ে রোজা রাখছেন অনেকেই। কিন্তু কলার দাম অতিরিক্ত বৃদ্ধির ফলে হিমসিম খেতে হচ্ছে আমজনতার।শনিবার উপজেলার চান্দাইকোনা, ধানগরা ও পাঙ্গাসী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের কলার দাম উর্ধমুখী।
আকার ভেদে সফরি কলার হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, সাগর কলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, চাম্পা কলা ছোট আকারের ১৫ থেকে ২০ টাকা ও বিচি কলা ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা হালি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। যদিও রোজার কয়েক দিন আগেই এসব কলার দাম ছিল একদম হাতের নাগালে। উপজেলার চান্দাইকোনা হাটে আশা পল্লী চিকিৎসক মোঃ আব্দুস সালাম সরকার জানান, কলার দাম দেখে মাথা ঘামছে। এতো দাম হলে আমরা সাধারণ মানুষ কি করে কিনে খাবো? এদিকে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমরা আরৎ থেকে যে দামে কিনে নিয়ে আসি তার চাইতে একটু বেশি দামে বিক্রি করা ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।
সৌদি আরব সহ বিভিন্ন মুসলিম কান্টি দেশে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে শত শত পণ্যের দাম কমানো হয়েছে। যা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। আর আমাদের দেশের কিছু ছোট-বড় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়াতে মড়িয়া হয়ে ওঠে। যা খুবই দুঃখজনক। এমতাবস্থায় কলা সহ সব ধরণের পণ্যের দাম ক্রয়-ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য স্হানীয় প্রশাসন তথা সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা।