চাঁপাইনবাবঞ্জ এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
- জাকির হোসেন পিংকু,
-
২০২৪-০২-২৭ ১৬:৫৯:৪৮
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব-১৪৩০ বাংলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১২ ইং সালে প্রতিষ্ঠার পর এবারই প্রথমবারের মত বিশ^বিদ্যালয়ে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে বিশ^বিদ্যালয়ের চারটি ফ্যাকাল্টির ১০টি স্টলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন নাম,স্বাদ,রঙ,আকৃতি ও গন্ধের বিভিন্ন পদের পিঠা প্রদর্শণ ও বিক্রি করে। অতিথিদের পিঠা দিয়ে আপায়্যন করা হয়। পেটুক বাড়ি,কাড়াকাড়ি পিঠাবাড়ি,পিঠা আলাপ,পিঠাপুলির গল্প,ইষ্টিকুটুম,বসন্তে পিঠাপুলি ইত্যাদি নানা আকর্ষণীয় নামে ফুল দিয়ে সাজানো ও গ্রামীন খড়ের কুঁড়েঘর আদলে তৈরি করা হয় স্টলগুলি।
মঙ্গলবার(২৭ ফেব্রæয়ারী) সকালে উপাচার্য প্রফেসর ড,এবিএম রাশেদুল হাসান ভিডিও কনফারেন্সে উৎসব উদ্বোধণ করেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বড় ইন্দারা মোড়ে অবস্থিত ক্যাম্পাস দিনব্যাপী উৎসবের সাজে সাজা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মূখরিত করে রাখে। পিঠা উৎসবকে ঘিরে দিনটি শিক্ষক-শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আনন্দঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়। নেচে-গেয়ে শিক্ষক-শিক্ষাথীরা আনন্দে মেতে ওঠেন।
নিজ স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে কৃষি অনুষদের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোস্তাক আহমেদ উচ্ছসিত কন্ঠে বলেন, মূলত: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়েই এই আয়োজন। কিছু অভিভাবকও উৎসবে এসেছেন। শিক্ষার্থীরা কয়েকদিন যাবৎ প্রস্তুতি নিয়ে অনেক পরিশ্রম করে ষ্টল তৈরি করে,সাজিয়ে ও পিঠা বানিয়ে মেলায় নিয়ে এসেছেন। দিনটি সবাই খুব উপভোগ করছেন।
আইন অনুষদেও প্রভাষক বিল্লাল হোসেন বলেন, উৎসবে আঞ্চলিক পিঠাকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া এ অঞ্চেলের গ্রামীন ঐতিহ্যর খাবারকে উপস্থাপন করা হয়েছে। উৎসবে রয়েছে জনপ্রিয় কালাই রুটি.চালের গুড়োর নাড়–র মত আঞ্চলিক খাবার। তবে নতুন রেসিপির কিছু পিঠাও উপস্থাপন করেছে শিক্ষার্থীরা।
বিশ^বিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার পরিচালক শাহরিয়ার কবির বলেন, উৎসবটি বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমের অংশ। উৎসব থেকেও শেখার আছে অনেক কিছু। অনুষ্ঠান পরিধর্শন করেছেন ভারপ্রাপ্ত ট্রেজারার দেলোয়ার হোসেন, রেজিষ্টার মনিরুল ইসলাম,বিজনেস অনুষদ কোঅর্ডিনেটর ইকবাল হোসেন,পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক গ্রæপ ক্যাপ্টেন(অব.) নুরুল ইসলাম সহ বিভিন্ন অনুষদের ডীন,বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দ। প্রায় হাজারখানেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অভিভাবক উৎসব উপভোগ করেন।