মিয়ানমারের ৩৩০ জন সেনা ও পুলিশ বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে

  • সকালের আলো প্রতিবেদক
  • ২০২৪-০২-০৮ ১৬:৫২:৪৯
image
মিয়ানমারে সেনা সদস্যদের সাথে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আরও ২ সদস্য বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে এলো মিয়ানমারের ৩৩০ জন সেনা ও পুলিশ। এদিকে, কয়েকদিন গোলাগুলির পর বান্দরবান ও কক্সবাজারের সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে বাসিন্দারা। তবে কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ রুটে আগামী শনিবার থেকে থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে টেকনাফের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায়। মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সংঘাতের জেরে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে মিয়ানমার সীমান্ত পুলিশের ২ জন সদস্য। সবমিলিয়ে দেশটির সেনাবাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, পুলিশ ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সংস্থার ৩৩০ জন এপর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ রুটে আগামী ১০ই জানুয়ারি থেকে থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি সেন্টমার্টিন যাওয়া জাহাজ দুটির চলাচল অব্যাহত থাকবে। এদিকে, বান্দরবার ও কক্সবাজার সীমান্তের ওপারে পরিস্থিতি অনেকটা শান্ত হয়ে এসেছে। বুধবার বিকেল থেকে গোলগুলির শব্দ পাওয়া যায়নি। এরইমধ্যে ঘুমধুম সীমান্ত এলাকার বাংলাদেশী নাগরিকরা আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। অনেকে আবার সীমান্তের কাছাকাছি নিজের বাড়িতে না গিয়ে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে গিয়ে উঠছেন। খুলতে শুরু করেছে স্থানীয় দোকানপাট। চলমান এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ও সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।