আজ বৃহস্পতিবার (২৫শে জানুয়ারি) গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগ করে যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যের এক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে দেশটির আদালত। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো আসামিকে এভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নজির এটাই প্রথম।
এই মৃত্যুদণ্ডকে ‘নিষ্ঠুর ও অস্বাভাবিক শাস্তি’ আখ্যায়িত করে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ও নিম্ন আপিল আদালতে আবেদন করেছিলেন স্মিথের আইনজীবীরা। তাতে মৃত্যুদণ্ড রহিত করার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু আদালত তা প্রত্যাখ্যান করে। ফলে বৃহস্পতিবার যে কোনো সময়ে স্মিথের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।
১৯৯৬ সাল থেকে কারাবন্দি আছেন কেনেথ স্মিথ। দুই বছর আগেও একবার তাকে প্রাণঘাতি ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মৃত্যদণ্ড দেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু রাত ১২টা বাজার আগে সুঁই ফোটানোর জন্য কেনেথের শিরা খুঁজে পাননি সংশ্লিষ্টরা। যার ফলে মৃত্যুদণ্ডাদেশের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় এবং তিনি সে যাত্রা প্রাণে বেঁচে যান।
১৯৮৮ সালের ১৮ই মার্চ এক হাজার ডলারের বিনিময়ে কেনেথ স্মিথ ৪৫ বছর বয়সী ইলিজাবেথ সেনেটকে হত্যা করেন। তার স্বামী ছিলেন একজন ঋণগ্রস্ত যাজক। তিনি স্ত্রীর জীবন বীমার অর্থ সংগ্রহ করার জন্য কেনেথকে ভাড়া করেন। তদন্তকারীরা ইলিজাবেথের স্বামীকে গ্রেপ্তার করতে এলে তিনি আত্মহত্যা করেন। এই অপরাধে কেনেথের সহযোগী ছিলেন জন ফরেস্ট পার্কার। ২০১০ সালে পার্কারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।