ফটিকছড়িতে জমে উঠেছে নির্বাচনি আমেজ | মূল লড়াই আওয়ামীলীগে- আওয়ামীলীগে
- হাসান মেহেদী:
-
২০২৩-১২-২৮ ১৮:২৯:১৫
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে জমে উঠেছে ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম-২)
আসনের প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা। ছন্দে ছন্দে মিছিল-শ্লোগানে মুখরিত উপজেলা সদর থেকে পাড়ার অলিগলি পর্যন্ত।
এ আসনে আওয়ামীগ জোটগত নির্বাচন না করায় মাঠ এখনও পর্যন্ত আওয়ামীলীগের দখলে বলেই মনে করছেন রাজনীতি সচেতন অনেকে। এ আসনে ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে সাবেক এমপি রফিকুল আনোয়ারের কন্যা খাদিজাতুল আনোয়ার সনি এমপি লড়ছেন নৌকা নিয়ে। নৌকার বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হুসাইন মো. আবু তৈয়ব।
এ দুই প্রার্থী মাঠে গণসংযোগের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে টানার রীতিমত প্রতিযোগিতা করছেন। নিজ দলের দুই প্রার্থীকে নিয়ে অনেকে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন দলীয় সমর্থকগণ। আওয়ামী লীগের সমর্থন থাকায় খাদিজাতুল আনোয়ার সনির সাথে যেমন রয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের বেশিরভাগ নেতাকর্মীর সমর্থন অন্যদিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন মুহাম্মদ আবু তৈয়বের ব্যাপক কর্মী-সমর্থক। তাই স্থানীয় ভোটারদের মতে, ফটিকছড়ি আসনে এ দুই প্রার্থীর মধ্যে হাডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
এই আসনে মোটামুটি শক্ত অবস্থানে আছেন বর্তমান এমপি বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভাণ্ডারী। দরগাহকেন্দ্রিক এই দুটি দলের দুজন প্রধান নির্বাচন করায় তাঁদের ভক্ত-মুরিদানের একটি বড় অংশ তাঁদের সাথে রয়েছেন। এঁদের মধ্যে তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী ২০১৮ সালের নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন। এর আগে ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে প্রথমবারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপির হয়ে নির্বাচন করেছিলেন। তখন আওয়ামী লীগের প্রার্থী রফিকুল আনোয়ারের কাছে হেরে যান তিনি। তবে নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী
২০০৮ সালের নির্বাচন করেননি। তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনে তরিকত ফেডারেশন হয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে সাংসদ নির্বাচিত হন। বাকী প্রার্থীদের কিছু পোস্টার ব্যানার চোখে পড়লেও কার্যত এখনও অব্দি তাঁরা নির্বাচনি আমেজ ছড়াতে পারেননি বলেই মন্তব্য ভোটারদের।