বিশ্বাসী ছায়া টাও সরে গেছে দূরে-বহুদূরে
আশ্বাস নেইতো আর একসাথে পথচলার
ভালোবেসে কাছে আসা কিংবা কিছু বলার,
অদৃশ্য ঘুণপোকা অহর্নিশ খায় কুরে-কুরে।
কাজলও যে কালো দুই চোখে কলঙ্ক সমান
বেহায়া এই মনটা কী বোঝে অত-শত
মন দিয়ে মন না পাওয়ার যন্ত্রণা কত !
সব নিয়েও কী আপন হতে পারে না পরান।
সহস্র কাঁকড়ার ভ্রুকুটিতে কাটে বিষণ্ন প্রহর
মাস-মজ্জার ভেতরে শিহরন যত স্বপ্নের
বয়ে চলে নিত্য ক্লেদ-গ্লানি অপার বিরহের ---
পায়নি ভালোবাসা, বুকে বেঁধা নিশাত ফুলশর।
প্রাণ খুলে হাসেনি মেয়েটি কতদিন -- কতকাল
ফুঁপিয়ে কাঁদেনি হয়তো বালিশে মুখ গুঁজে
সমব্যথী হয়ে কেউ দুঃখটা নেয় নিকো খুঁজে
স্পর্শের কাছে আঁধারও পেতেছে চিন্তার জাল।
ভোর হয় দিন যায় -- মেয়েটির দুঃখের ঘ্রাণ পাই
কলকল ছলছল মৃদু ধ্বনি শুনি কাছে গেলে
তাকিয়ে দেখি কত পথ গেছে পেছনে ফেলে
সেকি কান্না নাকি হাসি, ভাবি, সে-তো ঝরনাই।