বিধি মেনেই চবিতে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, বাতিল দাবি শিক্ষক সমিতির একাংশের

  • হাসান মেহেদী:
  • ২০২৩-১২-১৭ ২২:১৯:৫৮
image

অর্ডিন্যান্স মেনে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হলেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আজ রবিবার ও আগামীকাল সোমবারের দুটি নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছে চবি শিক্ষক সমিতির একাংশ। 
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একাধিক বার বিভাগের চাহিদাপত্র প্রেরণের জন্য চিঠি প্রেরণ করে। শিক্ষকের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও বিভাগ সহযোগিতা না করায় চবি উপাচার্য ১৯৯৪ সালের সিন্ডিকেট সভায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। সমস্ত প্রক্রিয়া ও যাচাই-বাছাই শেষ করে পরীক্ষার আয়োজন করার দিনই চবি শিক্ষক সমিতির একাংশ নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানায়। 
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, অর্ডিন্যান্স মেনেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অযৌক্তিক কারণে কিছু দাবি সামনে এনে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন কয়েকজন শিক্ষক। তাঁরা বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নের ঘৃণ্য চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রশাসনের বেশ কয়েকজন দায়িত্বশীল। 
জানা যায়, আজ দুপুর ১২টায় উপাচার্যকে দুই বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের বোর্ড বাতিলের দাবিতে চিঠি দেয় শিক্ষক সমিতি। 
এ সময় উপাচার্য ও শিক্ষক সমিতির নেতাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উপাচার্য কক্ষ ছেড়ে কনফারেন্স রুমে চলে যান। উপাচার্যের সঙ্গে কোনো আলোচনা না হওয়ায় দুপুর ২টায় বোর্ড বাতিলের দাবিতে আকস্মিকভাবে  অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষক সমিতির কয়েকজন সদস্য।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ শাখা কর্তৃপক্ষ জানায়, শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্ল্যানিং (পরিকল্পনা) কমিটি  তিন মাসের মধ্যে সুপারিশ না করলে উপাচার্য নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিতে পারবেন। ১৯৯৪ সালের সিন্ডিকেট উপাচার্যকে এই ক্ষমতা দিয়েছেন। এ ছাড়াও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর একটি নির্দেশনাও আছে অবসরজনিত শূন্য পদগুলো সংশ্লিষ্ট অর্থবছরেই পূরণ করতে হবে। সর্বোপরি আইন মেনেই এই নিয়োগগুলো হচ্ছে।