তারপর সব সেরে সুরে বাক্স পেটরা নিয়ে আমরা যখন নেমে আসি তখন সূর্য মাঝ আকাশে। দুপুরের ঠা ঠা রোদে আমরা ছুটতে শুরু করি যেন নির্দিষ্ট সময়ের অনেকটা আগেই পৌঁছাতে পারি।লিংক রোড ছাড়িয়ে ডিটি রোডে উঠেই গাড়ি চলতে শুরু করে।ঢাকা ট্রাংক রোডের দুপাশের সবুজ গাছপালা,পাহাড়,ঘরবাড়ি,মানুষজন,দোকানপাট পিছলে পিছলে একসময় আমরা পৌঁছে যাই ফ্লাইওভারটার কাছে।এখানটায় আসামাত্রই বুকের ভেতরটায় নতুন করে আবার ঝাঁকি দিয়ে যায় আমার!ভেতরটা কেঁপে ওঠে।ফ্লাইওভার পার হয়ে কিছুদূর গিয়ে ডানদিকে আমাদের মোড় নিতে হয়।তারপর সরুরাস্তা কেটে কেটে আমরা একসময় পৌঁছে যাই।সেখানে অনেক মানুষের জড়াজড়ি। কেউ আসছে। যাচ্ছে কেউবা।অনেকে আবার দাঁড়িয়ে আছে শেষ সময়টুকু পর্যন্ত থাকবে বলে। শেষ পর্যন্ত বিদায় জানাতে হয়।গেট থেকে যেতে যেতে একসময় একাডেমিক ব্লকে খাকিগুলো মিলিয়ে যায়। দূর থেকে সেগুলোকে আর আলাদা করা যায়না। আমরা ফিরি। আমাদের ফিরতে হয়।স্নেহের নদীকে ফেলে এসে প্রবেশ করি শূণ্যতার ধাতব গোলকে!