শিমুল পলাশের রেণু দখিনা বাতাসে
ঝিঙের মাঁচায় ফিঙ্গের নাচানাচি ,
মা ঝাপসা চােখে তাকায় এদিকে সেদিকে
কে ডাকে! কার কণ্ঠ ডুকরে ডুকরে কাঁদে?
দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে খোকা রক্ত মেখে ঘেমে
করুণ কন্ঠে বলে
আমার ভাষার ঝুলি ফিরিয়ে দে মা ।
মা, এদিক সেদিক হাতরায় কোথায় খোকার ঝুলি?
জীর্ণ থলে পড়ে আছে ঘরের কোণে
উইপোঁকা খেয়ে গেছে ভাষার শরীর।
খোকা আর্তনাদ করে ওঠে- তোরা
মেরে ফেললি ভাষাকে ! করলি দূষণ!
এই দিলি রক্তের দাম!
এগারো মাস নষ্ট ভ্রষ্ট করে কফিনে দিস্ ফুলের মালা
মাগাে! এ কেমন প্রহেলিকা ?
আঁচলে মুখ ঢেকে ফুপিয়ে উঠে মা-
সোনা ক্ষমা কর এই অক্ষম মাকে
তাের রক্তে ভেজা ভাষা পারিনি আগলাতে
সময়ের কুহুতানে ভেসে গেছে দূষণের জোয়ারে।।