যশোরে 'দৈনিক যশোর বার্তা' পত্রিকার আত্মপ্রকাশ হতে যাচ্ছে

  • চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি
  • ২০২৩-১০-২১ ২২:৫০:১৭
image

যশোরে আরো একটি নতুন পত্রিকা 'দৈনিক যশোর বার্তা' পত্রিকার আত্মপ্রকাশ হতে যাচ্ছে। পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক যশোরের চৌগাছা উপজেলার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সাংবাদিক, শিক্ষক, মানবাধিকার কর্মী ও সমাজ কর্মী অধ্যক্ষ মোঃ শিহাব উদ্দীন। সম্প্রতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে উপ-পরিচালক তাজকিয়া আকবারী স্বাক্ষরিত দৈনিক যশোর বার্তার" চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন। গত ১৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক অধ্যক্ষ মোঃ শিহাব উদ্দীনের হাতে ঘোষণা পত্র তুলে দেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিএম) এস এম শাহীন উপস্থিত ছিলেন। 
এছাড়া সাংবাদিক আব্দুস সাত্তার কিনে, আলমগীর কবীর, নুরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যক্ষ মোঃ শিহাব উদ্দীন দৈনিক যশোর বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক হওয়ার পূর্বে বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
১৬ ডিসেম্বর, ২০২০ হতে তিনি নিজ সম্পাদনায় ও প্রকাশনায় পাক্ষিক যশোর বার্তা নিয়মিত প্রকাশনা করে আসছেন। ১ জানুয়ারি,২০২২ হতে তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সোনালী খবর পত্রিকায় বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে আসছেন। ১ জানুয়ারি ২০২১ হতে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় সাপ্তাহিক বেলার প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৭ মার্চ, ২০১৭ থেকে ৩০ ডিসেম্বর,২০১৮ পর্যন্ত তিনি স্বাধীনতার প্রবেশদ্বার এর একমাত্র মুখপাত্র সাপ্তাহিক চৌগাছার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১ জুন ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বাঞ্চল, যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক গ্রামের কাগজ, দৈনিক কল্যাণ, দৈনিক সত্যপাঠ, দৈনিক নওয়াপাড়া পত্রিকায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর সাংবাদিকতার হাতেখড়ি যশোরের প্রবীণ খ্যাতনামা সাংবাদিক প্রদীপ ঘোষের হাত ধরে ১৯৯৫ সালের প্রথম দিকে দৈনিক পূর্বাঞ্চল পত্রিকার মাধ্যমে। সেই সময় প্রদীপ ঘোষ বৃহত্তর যশোর ব্যুরোর দায়িত্বে ছিলেন। মোস্তফা রুহুল কুদ্দুস এবং বর্তমান দৈনিক যুগান্তরের সিটি এডিটর বিএম জাহাঙ্গীরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে তিনি সাংবাদিকতায় পোক্ত হতে থাকেন। ২০০২ সালের প্রথম দিকে তিনি গ্রামের কাগজ সম্পাদক মবিনুল ইসলাম মোবিনের অনুরোধে গ্রামের কাগজে কাজ করা শুরু করেন। এছাড়া তিনি যশোরের খ্যাতিমান সাংবাদিক বাংলাদেশ বেতারের তৎকালীন জেলা প্রতিনিধি প্রয়াত জমির আহমেদ টুন, ইত্তেফাকের ফারাজী আজমল হোসেন, ইনকিলাবের মিজানুর রহমান তোতা, সংবাদের রুকুন উদ দ্দৌলাহ, জনকন্ঠের প্রয়াত শামসুর রহমান কেবল, ডেইলী স্টারের প্রয়াত আতিউর রহমান, অবজারভারের আব্দুল মান্নান, যুগান্তরের শাহ কিরণ কুমার কচি, কালের কণ্ঠের ফখরে আলম, রানার সম্পাদক আর এম সাইফুল আলম মুকুল, স্ফুলিঙ্গ সম্পাদক মিয়া আব্দুস সাত্তারসহ নাম জানা-অজানা (সাংবাদিকতায়) দীক্ষা গ্রহণ করেন। এছাড়া তিনি ঢাকা ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব শাবান মাহমুদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোরসালিন নোমানীসহ অসংখ্য সাংবাদিক নেতাদের কাছ থেকে সাংবাদিকতায় দীক্ষা গ্রহণ করেন। অধ্যক্ষ মোঃ শিহাব উদ্দীন সাংবাদিকতার পাশাপাশি একজন শিক্ষক, মানবাধিকার কর্মী ও সমাজকর্মী হিসেবেও সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন।