আমার বাবাকে কোনোদিন কেউ লক্ষ্মীমন্ত বলেনি
তিনি একেবারেই শান্ত, শিষ্ট ছিলেন না
বাবার পরিশ্রমের গতিতে বসেছিলেন স্বয়ং পবন পুত্র
কখনো তাকে অলস সময় কাটাতে দেখিনি,
ধনসম্পদ নিজের কাছে কিছুই ধরে রাখতে পারেননি
জলের ধারার মতো সেগুলো ঢুকে গেছে সংসারের মায়া জালে
আয় আর ব্যয় ছিল দক্ষিণা বাতাস সমান
এক দরজা দিয়ে ঢুকে অন্য দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া।
তুলনায় মা ছিলেন শান্ত, শিষ্ট একেবারে লক্ষ্মীগুণ সম্পন্না
মায়ের বৈশিষ্ট্যে ধ্রুবতারার মতো স্থির ছিল লক্ষ্মীর ভাব
যখন যা চাইতাম মা তাই দিতেন হাত ভরে
মন খারাপে, শরীর খারাপে সব সময়ের সঙ্গী মা,
অথচ বাবা চলে যাওয়ার পর
গৃহবধূ মায়ের ভাঁড়ারে টান পড়লো
সবকিছুতেই কেমন একটা অভাব অভাব
এমনকি সময়েরও,
মাঝেমধ্যে মনে প্রশ্ন জাগে
মায়ের সেই লক্ষ্মীরূপ হরণ করল কে?
সে কি লক্ষ্মীর থেকেও বড় কিছু?