আজ ২রা অক্টোবর শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক ফ্রন্টের কর্মপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আলোচনা হয় যে, পতিত মাফিয়া স্বৈরাচারী আওয়ামী ৭টি পরিবার বাংলাদেশের সকল ব্যাংক দখলে নিয়ে লুণ্ঠনের রাজত্ব কায়েম করছে। খুনী হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিয়ে নানারকম চক্রান্ত করছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হুমকি মোকাবেলায় আইন প্রয়োগে কঠোর না হয়ে লোক দেখানোর কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে প্রশাসন। জনগণ চায় যে, পতিত আওয়ামী লীগ এবং তার দোসর ১৪ দলীয় মহাজোটের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের তালিকা তৈরী করে থানা, জেলা ও সরকারের কাছে রাখা হোক। এই তালিকা ভুক্তদের মোচলেকা গ্রহণ করা হউক যে, তারা দেশ বিরোধী কোন কর্মকান্ডে লিপ্ত হবে না। কারণ গণহারে গ্রেফতার জনগণের উপর নির্যাতনের পুরোনো ইতিহাস সৃষ্টি করবে। চিহ্নিত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আশ্রয়ে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়। জনগণের পক্ষে ফ্রন্টের দাবি অর্ধশত বছরের ব্যর্থ জনগণের আকাঙ্খার বিরোধী বর্তমান সংবিধান পরিবর্তনসহ জনগণের সকল সমস্যা সমাধাণের লক্ষ্যে ভোট প্রদান বাধ্যতামূলক করে একটি গণভোটের ব্যবস্থা করতে হবে। যার আসল লক্ষ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জনগণের হাতে তুলে দেয়া। অন্যদিকে দুর্নীতিকে টুটি চেপে ধরে মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রতি লক্ষ্য দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন ফ্রন্টের আহবায়ক কমরেড কাজী মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশের গরিব-মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি কমরেড শামসুজ্জামান মিলন, স্বাধীনতা পার্টির সভাপতি কমরেড আব্দুল গফুর মিয়া, স্বাধীনতা পার্টির সাধারণ সম্পাদক এ এফ এম ফয়েজ হোসেন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম হানিফুল কবির, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) এর যুগ্ম সম্পাদক এম এম ওবায়দুল্লাহ জয়, নয়াগণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি মাস্টার এম এ মান্নান প্রমুখ।